বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ১৭ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

চবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীসমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সর্বশেষ সভা সম্পন্ন

 

প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সর্বশেষ (২০তম) সভা  ২২ মার্চ বিকাল ৩.৩০ টায় নগরীর খুলশী ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ শামসুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহমদ ইমরানুল আজিজের সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ শওকত আলী নূর, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোতাছাম বিল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক ছৈয়দ হাফেজ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোরশেদুল আলম, সমাজসেবা সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেহেনা আখতার বেগম, তথ্য, গবেষণা ও সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা নাজমুল কাউসার আরমান, দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ হানিফ মজুমদার, নির্বাহী সদস্য এস এম হুমায়ুন কবির চৌধুরী কাঞ্চন, জিএম সরওয়ারুল আলম টুকু, মিজানুর রহমান সেলিম, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। সভায় আগামী ৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও কাউন্সিল এর প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয় এবং এ বিষয়ে প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ শওকত আলী নূর সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে সভায় রির্পোট পেশ করেন। সভায় জীবন সদস্য হিসেবে ২২ জন কে অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সভাপতির প্রস্তাবের ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, স্মরণিকা ‘ফিরে দেখা-২০১৯’ এর প্রকাশনা কাজ পর্যন্ত যারা জীবন সদস্য হবে তাদেরকে জীবন সদস্য তালিকায় অন্তভুক্ত করা হবে। এতে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহমদ ইমরানুল আজিজ কে সম্পাদক ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বশির উল্লাহ সাইমুমকে নির্বাহী সম্পাদক করে স্মরণিকা ‘ফিরে দেখা-২০১৯’ এর ৪ সদস্যের প্রকাশনা পর্ষদ গঠন করা হয়। এছাড়া সমিতির আসন্ন সকল ব্যয় সম্পন্ন করে উদ্বৃত্ত টাকাগুলো এফডিআর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরপর সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহমদ ইমরানুল আজিজ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিদায়ী বক্তব্য রাখেন। পরিশেষে সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ শামসুল আলম সমাপনী বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আমরা বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি গত প্রায় তিন বছর ধরে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা দিয়ে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করার প্রচেষ্টা চালিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ আজ মনে হচ্ছে আমরা আমাদের চেষ্টায় সফল হয়েছি। আমরা বিভিন্ন সভা, অনুষ্ঠান, পিকনিক, ইফতার মাহফিল, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, সম্মাননা প্রদান, অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান, স্মরণ সভা ইত্যাদি কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সৃজনশীল প্রকাশনা প্রকাশ এবং সমিতির শতাধিক জীবন সদস্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সমিতির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছি। আগামী কমিটি সমিতির কার্যক্রম আরো বেগবান করে এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

আরো খবর

Leave a Reply