বাংলাদেশ, সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা (২১২ ) ফজলুল করিম চৌধুরী এমপি সমীপে

পরিবেশ রক্ষায় একদিনেই উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ রোপন করিয়া বিশ্ব রের্কড অর্জন করিয়াছেন

মাননীয়,

জাতীয় সংসদ সদস্য চট্টগ্রামের আলোচিত রাজনীতিবীদ ফজলুল করিম চৌধুরী এমপি সমীপে

ফজলু ভাইজানরে,

গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন। আশা করি আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর ভিশন ও মিশন কায়েমের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া মহা- সুখেই আছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ও দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি। গেল বারে  ড. হাসান মাহমুদ সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা  লিখিবার পর এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম বলিয়াই, লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না বরং শত ব্যস্ততার পরও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন এবং ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।

ভাইজানরে,

আপনি হইলেন, এশিয়ার লৌহমানবখ্যাত বাঙ্গালীর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাওলানা ভাসানীর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চট্টগাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রামের আলোচিত সংসদীয় আসন রাউজান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।দেশের বেশ কিছু খ্যাতিবান ও আলোচিত ব্যাক্তির জন্মস্হান এটি। জললুল কাদের চৌধুরী, মাষ্ঠার দা সূর্যসেন ও প্রীতিলতার মতো খ্যাতিবান ব্যাক্তিরা এখানে জন্ম নিয়াছেন।সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, আবদুল্লাহ- আল – নোমান, জিয়া উদ্দিন বাবলু, পংকজ ভট্টাচার্য, আবদুল্লাহ আল হারুন, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকার আপনার নির্বাচনী আসনের খ্যাতিবান ব্যাক্তি।একসময় রাউজান ছিল সন্ত্রাসের জনপদ।মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সালা উদ্দিন কাদের চৌধুরী যখন দুইজন দুইদলের প্রার্থী ছিলেন তখন চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি ছিল এই আসনে।এখন সেই পরিবেশ নাই, রাউজান এখন শান্তির জনপদ ও উন্নয়নের রোল মডেল।শান্তির জনপদ ও উন্নয়নের রোল মডেল হইবার পিছনে আপনার অবদান অতুলনীয়।যাক, সেইসব কথা।

ভাইজানরে,

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মন্ত্রী সভা গঠনের সময় আপনাকে মন্ত্রী করা হইবে এমন গুজব ছিল চট্টগ্রাম জুড়েই।অবশ্য মন্ত্রীত্ব পাইবার আপনি যোগ্য ব্যাক্তি বলিয়া এই আলোচনা হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক।শেষ পর্যন্ত আপনি মন্ত্রী পাইলেন না।আপনার ভক্ত-অনুরক্তরা বলিতেছে এই জন্য আপনি হতাশ হইবেন।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পক্ষে থাকেন।শেখ হাসিনা কী কারণেই মন্ত্রীত্ব দেন নাই সেটা তিনিই ভালো জানেন। মনে রাখিবেন, আল্লাহ যাহা করেন তাহা সবসময় ভালোর জন্যই করিয়া থাকেন।

ভাইজানরে,

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়া শেখ হাসিনা যেমন দুনিয়াব্যাপী প্রশংসা পাইয়াছেন তেমনি আপনিও তাহাদের ব্যাপক সাহায্য দিয়া দেশের মধ্যে আলোচিত ও প্রশংসিত হইয়াছেন।পরিবেশ রক্ষায় একদিনেই উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ রোপন করিয়া বিশ্ব রের্কড অর্জন করিয়াছেন।যাহা সত্যিই আপনার ও আপনার পরিবারসহ ভক্ত-অনুরক্তদের দূর্লভ স্বীকৃতি যেটি আপনাকে হাজার বছর বাঁচিয়া  রাখিবে।গোটা রাউজানে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সচেতন মানুষের  চোখে পড়িতেছে । আইন শৃংখলা পরিস্হিতিও সন্তোষজনক।আপনার অসংখ্য ভক্ত অনুরক্ত বলিতেছে, আপনি চাইলে বাংলাদেশে রাউজানকে মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষনা করিয়া মাদক বেচা বিক্রি ও সেবন নিষিদ্ধ করিতে পারেন।শুনিতেছি, যেইসব পরিবারে মাদকাসক্ত ব্যাক্তি রহিয়াছে তাহারাও আপনাকে অকুন্ঠ সমর্থন করিবেন।তবে এই বিষয়ে ঘোষনার আগে অনেক চিন্তা ভাবনা করিয়া আপনাকে সিন্ধান্ত লইতে হইবে।মাদকাসক্তদের পূনর্বাসন করিয়াই মাদকমুক্ত এলাকা করিবার চিন্তা করিতে হইবে।আপনার ভক্তদের অনুরোধে আমি প্রস্তাবটি উপস্হাপন করিয়াছি।বিষয়টি একান্তই আপনার চিন্তা চেতনা ও পরিবেশ পরিস্হিতি লইয়া ভাবিতে হইবে।হরেক রকম গরম কথা লিখিয়া ও বলিয়া আপনার ভক্তদের কথা তুলিয়া ধরিয়াছি বলিয়া রাগ করিবেন না।আজ আর না। আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্হ্য কামনায় ইতি আপনারই গ্রাম বাংলার অখ্যাত ঠান্ডা মিয়া

গ্রন্হনা ম.আ.হ

তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

আগামী সংখ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমীপে ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা (২১৩) সম্প্রচার করা হইবে।

 

 

আরো খবর

Leave a Reply