বাংলাদেশ, রবিবার, ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ সমীপে

মাননীয়,

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ সমীপে,

হাসান মাহমুদ ভাইজানরে,

গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন। আশা করি আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর ভিশন ও মিশন কায়েমের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া মহা- সুখেই আছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ও দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি। গেল বারে  ড. কামাল হোসেন সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা  লিখিবার পর এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম বলিয়াই, লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না বরং শত ব্যস্ততার পরও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন এবং ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।

ভাইজানরে,

আপনি হইলেন, এশিয়ার লৌহমানiবখ্যাত বাঙ্গালীর জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক । সেইসাথে নবগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্যমন্ত্রী।এর আগেও আপনি ক্ষমতাসীন সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ছিলেন। দেশের আলোচিত ব্যাক্তি পাকিস্তানের ডেপুটি স্পীকার ফজলুল কাদের চৌধুরীর বড় ছেলে সাবেক মন্ত্রী সালা উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে নির্বাচনে পরাজিত করিয়া শেখ হাসিনার আস্হা অর্জন করিয়াছেন আপনি।তখন থেকেই চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষ আপনাকে চিনিয়া থাকে।মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একবার রাঙ্গুনিয়ায় লাঞ্চিত হইবার পর এবং সালা উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ কার্যকর হইবার সময় গোটা দেশ জুড়িয়া আপনার নাম আলোচিত হইয়াছিল।এখনতো বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হইবার সুবাধে তামাম দুনিয়াবাসী আপনাকে চিনিয়া থাকে।যাক, সে সব কথা।

ভাইজানরে,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার স্যারের উৎসাহ অনুপ্রেরণায় আজ বাংলাদেশ ডিজিটাল বংলাদেশ।ডিজিটাল বংলাদেশের বদৌলতে আমরা কত সুবিধা পাইতেছি এত কম সময়ে তাহা বলিয়া শেষ করা যাইবেনা।ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা ও এনালগ বাংলাদেশের অসুবিধা কী এখন এইসব এইদেশের মানুষেরা ভালোই জানে।মনে রাখিবেন, আপনি এনালগ যুগের তথ্যমন্ত্রী নন বরং আপনি ডিজিটাল যুগের তথ্যমন্ত্রী। সারাদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক রহিয়াছে।এই স্বেচ্ছাসেবক তৈরীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার স্যারের অসামান্য অবদান রহিয়াছে।এই স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে কয়েক হাজার গণমাধ্যম কর্মী রহিয়াছে।যাহারা অনলাইন সাংবাদিক হিসাবে পরিচিত।যাহারা আধুনিক চিন্তা চেতনার ধারক- বাহক ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের কারিগর।এমন অনেক হাজার হাজার অনলাইন গণমাধ্যমের কর্মী রহিয়াছে যাহারা দুনিয়ার বাস্তবতায় এখন অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক কিংবা সাংবাদিক।এখন তাহাদেরকে স্বীকৃতি দিয়া দেশটিকে ডিজিটালাইজ করার সময় আসিয়াছে।

ভাইজানরে

আপনি নিশ্চয় জানেন, ১৭শতের অধিক নিউজ পোর্টাল ডিজিএফআই, এনএসআই ও এসবি তদন্ত করিয়াছেন । যাহা অনলাইন নীতিমালা  অনুসরণ ও অনুকরণ করিয়া সংবাদ সম্প্রচার করিয়া আসিতেছে।এইসব নিউজ পোর্টাল এখনো সরকার থেকে কিছুই পায়নি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে এইসব নিউজ পোর্টালের সম্পাদক কিংবা সাংবাদিকেরা স্বেচ্ছাসেবকের ভুমিকা পালন করিতেছে।ইহাদের উৎসাহ ও প্রেরণা দেওয়ার জন্য আপনিই যোগ্য মানুষ।এইসব অনলাইন পত্রিকাগুলো নিবন্ধন করিয়া ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরো আগাইয়া নিবেন বলিয়া অনলাইন সাংবাদিকেরা আপনার উপর আস্হা রাখিতেছে।মনে রাখিবেন, এই নিউজ পোর্টালগুলো আপনার সময়ে নিবন্ধন পাইলে আজীবন আপনাকে স্মরণ রাখিবে। আজ আর না।আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্হ্য কামনায়।

 

ইতি  আপনারই গ্রাম বাংলার  অখ্যাত

                                                                                                                                                                                           ঠাণ্ডা মিয়া  

গ্রন্হনা ম.আ হ

তারিখ ৩১ জানুয়ারী ২০১৯

আগামী সংখ্যায়  সংসদ সদস্য ফজলুল করিম চৌধুরী এম পি সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা (২১১) সম্প্রচার করা হইবে।

আরো খবর

Leave a Reply