মুস্তাক মুহাম্মদ এর শশীলতা কবিতাগুচ্ছ – ১২
মালাখানি রেখো শশীলতা ভালোবাসার ফুল ফোটাতে আমি ব্যর্থ মালী দিবা নিশি যত্ন করেও ফোটাতে পারিনি কলি এখন শুধু মনের […]
মালাখানি রেখো শশীলতা ভালোবাসার ফুল ফোটাতে আমি ব্যর্থ মালী দিবা নিশি যত্ন করেও ফোটাতে পারিনি কলি এখন শুধু মনের […]
এক অমরাবতীর বাসিন্দার গল্প পদ্মদা জীবন গেলো কারুকাজে বসে, সাহিত্যর বাতিঘর – তুমি তার বাতি। বইয়ের প্রুফ লেখা কাটাকাটি
ধর্ষিতর চিৎকার: তবু চুপ ধর্ষিত শশীলতাদের চিৎকার আর সহ্য করতে পারি না! প্রতিনিয়ত নারকীয় রূপে কামদেবরা জেগে উঠছে-
তোমাকে ঘিরে শশীলতা, জীবন থেকে হারায়ে গেলে জীবন শূন্য দেহের দাম কি বলো- পোকা মাকড়ের ঘর বসতি ছাড়া? সব কিছু
কৃষকের তুলিতে শুকনো মৌসুমে হাওরে সবুজ খেলা করে; প্রাণ দোলে ধানের শীষের সাথে। স্বপ্ন বুনি স্বপ্নবাজ মানুষেরা, নব উদ্দোমে
এই পৃথিবী আমাদের আমাদের ঘামে রসদ পায় পৃথিবী। এসো আমার ভায়েরা, আমরা আরো সুন্দর করে সাজায় আমাদের পৃথিবীটাকে। আমরা
গৌন্তব্যহীন কাটে আমার রাত দিন শশীলতা কেমন আছি জানলে না! মনের মধ্যে এক নদী বয় দেখলে না, সেই
তবু তুমি সুখে থাকো শশীলতা বুকে অনেক ব্যাথা জমা আছে বুঝবে যেদিন রইবো না যেদিন পাশে। ছোট এই বুকটায়
নিজস্ব পরিচয়ে বৈশাখ পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষে নবরূপে বাঙালির প্রাণ জাগে। নেই ভেদাভেদ হিন্দু মুসলিম সবাই বাঙালি
কাল বৈশাখী এসো রুদ্ধরূপে হে কাল বৈশাখী ঝড়, পৃথিবী ভরে গেছে ধূলো বালুকণায়! পুরনো মাকড়সা জালের মতো মানুষকে গ্রাস