সব ফুলে হয়না মালা
রাহাত ভাঈ মালা হবে বলে,কারো না কারো গলে, প্রতিদিন কত ফুল ফোটে স্বর্ণালী প্রত্যুষে পৃথিবীর প্রান্তরে, অজস্র গাছে গাছে। কেউ […]
রাহাত ভাঈ মালা হবে বলে,কারো না কারো গলে, প্রতিদিন কত ফুল ফোটে স্বর্ণালী প্রত্যুষে পৃথিবীর প্রান্তরে, অজস্র গাছে গাছে। কেউ […]
রাহাত ভাঈ কোন এক বহতা নদীর পাড়ে যদি দেখ– পারস্যের বিরান মরুপ্রান্তের উঠ আরোহীর মত, কোন রাখাল ছেলে মহিষের
রাহাত ভাই দ্বীপ্ত যৌবন সূচনা লগ্নে– এমন কচুরিপানার দেশ ভালবেসে, তন্নী নয়নের অগ্নি ঝরা জলে– নিজেকে সপেছিলাম, আজ
রাহাত ভাই পাড়া গাঁয়ের বাঁশ ঝাড়ে,বিশাল তমালের ডালে ডালে ; ঘুঘু আর দেখিনাকো। নিসিন্দা বনের পাশে রাখালী বাঁশির সুর আর
রাহাত ভাই হয়ত ছানা দুটি উপোস ছিল নীড়ে, নয়ত নিজে, তাই হন্যে হয়ে অন্ন খোঁজে,পিচডালা রাস্তার পরে , রাস্তার পাশেই
রাহাত ভাই ,আমি আজ পরন্ত বেলার সূর্যের মত– ডুবো ডুবো ভাব নিয়ে বেঁছে আছি। প্রাতকালের সূর্যের মতই একদিন জন্মে ছিলাম
রাহাত ভাই ঐত, ঐখানেইত ছিল,শিমুল-কুলের গাছ দুটি, ছাঁয়ায় বসা রাখালের দল আর দলপতি ; কাঁশ ফুলের কান্ডে কান্ডে বোনা টুপি
রাহাত ভাই গৃহিণীর ঝাড়ুর আঁছরে আজ আর্তনাদের সুর বেজে উঠে, বাড়ান্দায় রাখা ভাঙ্গা কুলায় চড়ে যাবে চুলার পাড়ে, দলা-মুচড়ানো কাগজ
রাহাত ভাই ,,. , নীল জামাটা পড় না আজ? আকুতি ভরা মায়াবী সুরে প্রেয়সী র উক্তি! তার মুখ পানে চেয়ে
এক ফাগুনে আগুন জ্বাললে শশীলতা তুমি বুঝলে না জীবন গেলো তবু তোমার মান ভাঙলো না। নিঠুর কেনো প্রিয়তমা দরদী