এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ঈদগাঁওয়ের জনজীবন। দুয়েকদিন ধরে চলছে গরম তীব্রতা। এতে করে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পাড়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। কমছে আয় রোজগার।
সরেজমিনের দেখা যায়,রোদের তীব্রতার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। যে কারণে দোকানীদের অবসর সময় কাটাতে হচ্ছে। দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল শ্রম জীবিরা অতিকষ্টের বিনিময়ে তীব্র গরমে আয় রোজগার করে যাচ্ছেন। প্রচন্ড গরমেই প্রেটোল চালিত তিন চাকার যানবাহন চালাচ্ছেন চালক রা। একমাত্র পরিবার পরিজনের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিতে গরম উপেক্ষা করে গাড়ী নিয়ে ছুটছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
হাসপাতালও ক্লিনিকে তীব্র গরমের কারণে নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তীব্র গরম পড়ার সাথে সাথে মিষ্টি পানীয় ডাব, পুষ্টিকর কলার দাম দ্বিগুন দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা।
ভিলেজ ডক্টরস ফোরামের সহ সভাপতি আবদু সালাম জানান, গরমে ভাইরাস ও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১১টার পর থেকে দুপুর পযন্ত টানা গরমে ঈদগাঁওয়ের নানা সড়ক-উপসড়কে তেমন লোকজনের দেখা মেলেনি। নানান যানযাহন সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে রাখলেও উল্লেখযোগ্য যাত্রী না থাকার দৃশ্য চোখে পড়ে। আরো দেখা যায়, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ঈদগাঁওর মাইজ পাড়া বলিখেলার পুকুরে একদল তরুন মনের আনন্দে সাঁতার কাটতে দেখা যায়। এমন চিত্র দেখে শৈশবের সে দিনের কথা মনে পড়ে গেলো।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আইরিন জানান, দুইদিন ধরে তীব্র গরমে আমরা অতিষ্ঠ। ঠিকমত পড়া লেখা করতে পারছিনা,মাদরাসায় যেতে অনিহা প্রকাশ করছে। তার উপর ঘন ঘন লোডশেডিং।
মিস্ত্রি আবু ছৈয়দ জানান, তীব্র গরমে দৈনিক কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। গরমে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে আয়ও কমে যাচ্ছে। ইসলামপুরের মিল মালিক মোজাম্মেল হক মিয়া ভাই জানান, গরমে লবন শ্রমিকদের কাজ করতে দারুন অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। লবন মিলে নানা কাজকর্মে ব্যাহত হচ্ছে। তার সাথে বিদ্যুৎতের লোডশেডিং চরম আকার ধারণ করছে।


