লিগ্যাল নোটিশ

  (এ/ডি সহ)

প্রতি

সুমন সেন

সম্পাদক, দৈনিক একাত্তর সংবাদ

মোবাইল: ০১৯৯০০২০৬০৮, ০১৭২০৫৮১৫৪৫ , ০১৩২২৯৮০১৯৮
ঠিকানা: আহমদ ভিলা, চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম-৪২১২

৩৭/৩৮, হাজী প্লাজা, ২য় তলা, পাঠানটুলী রোড, ডবলমুরিং, চট্টগ্রাম।

সেন বাড়ি,  মুজাফরাবাদ, খরনা ইউনিয়ন, পটিয়া চট্টগ্রাম ।

                                                     ——-

নোটিশগ্রহীতা

হইতে,
মোহাম্মদ আলী হোসেন পিতা—মৃত আবদুস সাত্তার, বর্তমান ঠিকানা ৭, এইচ. এস.এস রোড, কোতোয়ালির মোড়, চট্টগ্রাম; স্থায়ী ঠিকানা—রব্বত আলী মাঝির বাড়ি, চুন্নাপাড়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।

তৎপক্ষে

মোঃ ফয়েজুর রহমান চৌধুরী

এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ও আইন ।

——————————————-নোটিশ দাতা

বিষয়: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক পেজ/ পাবলিক গ্রুপ এবং অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল দৈনিক একাত্তর সংবাদ এর মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর তথ্য, ছবি, ডিজিটাল পোস্টার , অপপ্রচার প্রকাশ ও প্রচার করে নোটিশদাতার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ এবং আর্থিক ক্ষতি সাধনের অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ, প্রকাশিত কনটেন্ট অপসারণ, নিঃশর্ত প্রত্যাহার ও লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশের জন্য আইনি নোটিশ।

আমার উপরোক্ত মক্কেল নোটিশ দাতার অনুরোধে ও পরামর্শে তাহার উপস্থাপিত দলিলাদির ভিত্তিতে আপনি নোটিশ গ্রহীতাকে নিম্নমতে আইনী নোটিশ প্রদান করিতেছি যে,

১।আমার উপরোক্ত মক্কেল নোটিশ দাতা একজন সৃজনশীল, সহজ, সরল নিয়ম শৃংখলায় বিশ্বাসী ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সুনাগরিক ও সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারের আলোকিত সন্তান।   তিনি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পূর্ব বাংলা- ও অনলাইন দৈনিক বাংলাপোস্টবিডি.কম এর সম্পাদক  এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের নিবন্ধিত পত্রিকা ও পোর্টালের সম্পাদক ও মালিকদের  সংগঠন  ‘চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব’র বর্তমান সভাপতি।

২।   আমার মক্কেল দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র প্রকাশনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং চট্টগ্রামের  অসংখ্য সামাজিক সংগঠন এবং সেবামুলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন।তিনি সাংবাদিকতা , স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা মুলক কাজের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ মাদার তেরাসাসহ ২৭টি সম্মাননা পদক লাভ করেছেন।
সম্প্রতি দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ও এডিটরস ক্লাবের উপদেষ্ঠা  এম. এ. মালেক -এর পক্ষে চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাব থেকে সাম্প্রতিক একটি গুজমুললক বক্তব্য ‘ সাত বার পরীক্ষা দিয়েও আজাদীর সম্পাদক এস,এস,সি পাস করেনি ‘ সম্পর্কে প্রতিবাদমুলক একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ওই বিবৃতিকে কেন্দ্র করে আপনার নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার মক্কেলকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুক পেজ/গ্রুপ এবং অনিবন্ধিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, অশালীন, কুরুচিপূর্ণ, আর্থিক ক্ষতিকর ও মানহানিকর বক্তব্য,  ছবি, ডিজিটাল পোস্টার এবং তথাকথিত সংবাদ/তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে আসছেন এবং অব্যাহত রেখেছেন । আপনি আমার মক্কেলকে, ‘ অবৈধ দখলদার, বাটপার, চাঁদাবাজ, খুনী , দেখামাত্র পুলিশকে ধরিয়ে দিন, ইত্যাদি মানহানী অশালীন বক্তব্য রেখেছেন ।’আরে মিয়া তোরে পুলিশ খুঁজতেছে তাড়াতাড়ি পালা , আগে ছিলি আওয়ামী লীগ এখন হোলি বিএনপি একথা সবাই জানে,মিয়া ৫ টাকা থাকে না পকেটে আবার লম্বা লম্বা কিচ্ছা গাও আরেকজনের পত্রিকা চুরি করে জাল ডকুমেন্ট বানাই নিজের নামে পরিচালিত এই ভিডিও করতে কয় টাকা দিছো এ টাকা কার থেকে লো হঠাৎ করে নিয়েছো তথ্য টা জানালে খুশি হতাম’।এসব আপত্তিকর বক্তব্য রেখেছেন।

আপনি নিজেকে সম্পাদক দাবী করেছেন । কোন সম্পাদকীয় রীতিতে এসব বক্তব্য রেখেছেন ,  কার পরামর্শে কিংবা কার প্ররোচনায় এসব করেছেন তা নোটিশ গ্রহন বা নোটিশ দেখার  ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাবেন।

৩।  আমার মক্কেলের নিকট প্রাপ্ত তথ্য, সংরক্ষিত ডিজিটাল প্রমাণ, স্ক্রিনশট এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত থেকে প্রতীয়মান হয় যে “দৈনিক একাত্তর সংবাদ”/“একাত্তর সংবাদ” নামীয় ফেসবুক পেজ/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং/অথবা আপনার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতায় আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার ও শেয়ার করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। আপনি আমার মক্কেল বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সম্পাদক এবং সমাজ সংস্কারক এম. আলী হোসেন সাহেবকে বিশেষত, নিম্নোক্ত ফেসবুক প্রোফাইল/পেজ/গ্রুপ হতে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও আপত্তিকর কনটেন্ট প্রকাশ/প্রচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।ক) “দূনীতিবাজ ও অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন”(https://www.facebook.com/groups/1000756589557586/?ref=share&mibextid=NSMWBT
খ) দৈনিক একাত্তর সংবাদ
(https://www.facebook.com/share/p/1BnScDKqdU/)
গ) Sumon Sen(https://www.facebook.com/share/1EbgxeCgJP/) ও
ঘ)https://www.facebook.com/reel/2004096930304417
উক্ত পোস্ট/কনটেন্টের সুনির্দিষ্ট URL, পোস্টের তারিখ, স্ক্রিনশট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে/হচ্ছে।

উক্ত কনটেন্টসমূহে আমার মক্কেলের ব্যক্তিগত চরিত্র, পেশাগত সততা, সামাজিক অবস্থান, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র প্রকাশনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে এমন সব বক্তব্য ও ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে, যেগুলো সত্য নয় এবং যেগুলোর কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণও প্রকাশকারীগণ উপস্থাপন করেননি।
এসব বক্তব্য সাধারণ পাঠক ও দর্শকদের নিকট আমার মক্কেল সম্পর্কে নেতিবাচক, অবমাননাকর ও মিথ্যা ধারণা সৃষ্টি করছে এবং তাঁর
* ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুনাম;
* সাংবাদিক হিসেবে পেশাগত মর্যাদা;
* সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে বিশ্বাসযোগ্যতা;
* সংবাদপত্রের ভাবমূর্তি;
* ব্যবসায়িক ও পেশাগত সম্পর্ক;
* আর্থিক স্বার্থ; এবং
* পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৯৯ ধারায় কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিপ্রায়ে বা সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে জানা/বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত, লিখিত, পাঠযোগ্য বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে কোনো মানহানিকর আরোপ প্রকাশ বা প্রচার করাকে মানহানি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই আইনের ৫০০ ধারায় মানহানির শাস্তির বিধান রয়েছে।
৪। অতএব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো পোস্ট বা ডিজিটাল কনটেন্ট কেবল অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেই তা আইনগত দায়ের বাইরে চলে যায় না। বরং প্রকাশিত বক্তব্যের প্রকৃতি, উদ্দেশ্য, জ্ঞান, প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা এবং প্রকাশ/শেয়ার/পুনঃপ্রচারের পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

৫। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমার মক্কেলের পক্ষ থেকে আপনাকে এই মর্মে আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ প্রদান করা যাচ্ছে যে, এই নোটিশ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে ক) আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে প্রকাশিত/প্রচারিত সকল মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর পোস্ট, ছবি, ডিজিটাল পোস্টার, ভিডিও, সংবাদ এবং অন্যান্য কনটেন্ট অপসারণ করতে হবে, খ) উক্ত কনটেন্ট পুনরায় প্রকাশ, শেয়ার, রিপোস্ট, বুস্ট, প্রচার বা অন্য কোনো মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে,গ) যেসব ফেসবুক পেজ, প্রোফাইল, গ্রুপ বা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে উক্ত কনটেন্ট প্রচার করা হয়েছে, সেসব কনটেন্ট অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, ঘ) আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে একই মাধ্যমে একটি সুস্পষ্ট লিখিত প্রত্যাহার ও দুঃখ প্রকাশের বিবৃতি প্রকাশ করতে হবে ঙ) ভবিষ্যতে আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার করা হবে না এই মর্মে লিখিত অঙ্গীকার প্রদান করতে হবে
চ) ইতোমধ্যে যেসব ব্যক্তি/পেজ/গ্রুপের কাছে উক্ত মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তাদের নিকটও তা প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ছ) আমার মক্কেলের সামাজিক, পেশাগত ও আর্থিক ক্ষতির জন্য উপযুক্ত ক্ষতি পূরণের বিষয়ে আলোচনার জন্য নোটিশদাতার আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
আমার মক্কেল ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পোস্ট, স্ক্রিনশট, URL, ভিডিও/ছবি, প্রকাশের সময় ও তারিখ, শেয়ার/কমেন্টের তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ডিজিটাল উপাত্ত সংরক্ষণ করছেন/করেছেন।

৬। প্রয়োজনে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আদালত এবং অন্যান্য আইনগত কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করা হবে। প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট/পেজ পরিচালনাকারী ব্যক্তির পরিচয়, ডিজিটাল কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় শনাক্ত ও সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
আপনি যদি এই নোটিশে বর্ণিত কার্যক্রম অবিলম্বে  বন্ধ না করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপরোক্ত দাবিসমূহ যথাযথভাবে পালন না করেন, তাহলে আমার মক্কেল আপনার বিরুদ্ধে প্রচলিত ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে যথাযথ মামলা/আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন।
এক্ষেত্রে মানহানি, ক্ষতিপূরণ, প্রকাশিত কনটেন্ট অপসারণ/প্রত্যাহার এবং প্রযোজ্য অন্যান্য প্রতিকারের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি, পেজ/প্রোফাইল পরিচালনাকারী ব্যক্তি এবং প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
এ ধরনের আইনগত কার্যক্রমের ফলে উদ্ভূত মামলার খরচ, আইনজীবীর ফি, ক্ষতিপূরণ এবং অন্যান্য আইনগত দায়-দায়িত্বের জন্য সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিরাই দায়ী থাকবেন।
৭। এই নোটিশকে আমার মক্কেলের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট অপপ্রচার ও মানহানিকর কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক সুযোগ হিসেবে গণ্য করা হবে।আপনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার মক্কেল পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। অন্যথায় কোনো অতিরিক্ত নোটিশ প্রদান ছাড়াই প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সে ক্ষেত্রে যাবতীয় ক্ষতি ও পরিণতির জন্য আপনি গ্রহীতাই দায়ী থাকিবেন।

ধন্যবাদন্তে

মোঃ ফয়েজুর রহমান চৌধুরী এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

সম্পাদক আইনকন্ঠ আইনজীবি ভবন, এনএক্স ভবন ১,  রুম নং ৭১২ , কোর্ট হিল, চট্টগ্রাম।  মোবাইল নং ০১৭৫৭ ১৩৯৭৯৪ ।

বিঃ দ্রঃ     অনুলিপি : অফিসে ভবিষ্যত আইনগত ব্যবস্থার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ