নিজস্ব প্রতিনিধি
আনোয়ারা উপজেলায় ব্যস্ততম সড়ক হচ্ছে সিইউএফএল সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে কেপিজেডের প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক,সরকারি কর্মকর্তা,মাদরাসা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ এলাকার জনসাধারণ। প্রতিদিন সকালবেলা ও সন্ধ্যাবেলায় চাতরী বাজার থেকে মহালখান বাজার কমিনিউটি সেন্টার পর্যন্ত সৃষ্টি হয় বড় ধরণের যানজট। যানজটে পড়ে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা।নষ্ট হয় সময় ও জ্বালানী। রোগীরা পায় যন্ত্রণা। কোরিয়ান কোম্পানী(কেএসআই) এর নির্দিষ্ট কোন গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় সিইউএফএল সড়কের উপর বাশঁখালী,চন্দনাইশ,এবং পশ্চিম আনোয়ারার চলাচলরত গাড়িগুলো রাস্তায় দুপাশে অবৈধ পার্কিং করে থাকে।ট্রাফিক পুলিশ থাকে অন্য কাজে। স্হানীয়দের অভিযোগ সাইফুল নামক এক ট্রাফিক পুলিশ চাঁদাবাজি ব্যস্ত রয়েছে।তিনি যে কোন বিষয়ে আগে কর্মরত পুলিশদের দোষ দিয়ে চলছে।
কাফকো কমিনিউটি সেন্টারের ব্যবসায়ীরা এবং তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশে গাড়ি রাখার কারনে ব্যবসার কাস্টমার আসতে পারে না বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন। কাফকো মহালখান বাজারে নেই কোন নির্দিষ্ট ট্রাফিক বক্স, যার কারণে পাবলিক লাইনসম্যানরা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে। বাহিরগত ড্রাইভাররা তাদের কথা পাত্তা দিচ্ছে না বলে পাবলিক লাইনসম্যানদের অভিযোগ।
তারা বলেন-প্রতিদিন পশ্চিম আনোয়ারার শ্রমিকরা এই পথ দিয়ে চলাচল করেন এবং বাহিরগত আসা পারকি বিচের গাড়িগুলো সহ সন্ধ্যার সময়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি করে।



