দুই প্যাকেজে প্রায় ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ এখানে। এদিকে, মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে উপজেলা প্রকৌশলী বিশ্বজিত দত্ত টেন্ডার বাতিল করতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে সুপারিশ করেছেন এবং ঠিকাদারকে শোকজ করে নোটিশ দিয়েছেন। এই বিষয়ে মুঠোফোনে ঠিকাদার মামুনুর রশীদের সাথে কথা বললে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, আমি স্টক করেছিলাম, চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলাম।শোকজের জবাব দিয়েছি যথাসময়ে সিডিউল অনুযায়ী কাজ হবে।আমি উধাও হয়ে যাবার ও আমার কাছে কেউ চাঁদা চাওয়ার কথা সঠিক নয়।
এলজিইডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রায় ৫০ কোটি টাকার টেন্ডার হয়।
ঠিকাদার মামুন উপজেলার বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, খরনা, কচুয়াই ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নে দুইটি প্যাকেজে প্রায় ১২টি কোটি টাকার কাজ নেন।
দু’টি সড়কেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলমান সম্প্রদায়ের ঘনবসতি রয়েছে। তাছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৌদ্ধ বিহার, মসজিদ, শাহগদী মাজার ও বেশ কয়েকটি মন্দির ছাড়াও বাজার রয়েছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু ড. ধর্মসেন মহাস্থবির ওই এলাকার লঙ্কারাম বিহারের একজন অধ্যক্ষ। ওই বিহারে দেশ-বিদেশের ভক্তরা ধর্মগুরুকে দেখতে প্রায় সময় যান। রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখার কারণে সকল সম্প্রদায়ের লোকজনের কষ্ট বেড়েছে। কাঁদা মাটি নিয়েই শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক লোকজন চলাচল করছে।
এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশালী শংকর নন্দী বলেন, জঙ্গলখাইন এবং বড়লিয়া এলাকায় ঠিকাদার কিছু কাজ শেষ না করে পালিয়ে যায়, কাজ করার সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাকে বাঁধা দিয়েছে বলে বিভিন্নভাবে জানা গেলেও কি ধরণের বাঁধা তা বলা হয়নি। আমরা ঠিকাদারকে উক্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে নোটিশও দিয়েছি। নোটিশের কোন জবাব না পাওয়ায় টেন্ডার বাতিল করে নতুন করে টেন্ডার দেয়ার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান।তিনি এই প্রতিনিধি বলেন, ঠিকাদার মামুনুর রশীদকে ফোনেও পাওয়া যায় না।



