ভোজ নিয়ে হাজার লোকের ক্ষোভ

মুঃবাবুল হোসেন বাবলা

নাছির উদ্দিন বলেন,পাওয়া না পাওয়ার তিন বছর কেমনে চলে গেল ঠেরও পেলাম না। শুরুতে বলে ছিলাম জলাবদ্ধতার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে সমস্যা দূর করতে সচেষ্ট থাকব, কিন্তু বিধিবাম সকল সংস্থার সার্বিক সহায়তা না পাওয়ায় সময় মতো আমি সেই কথা রাখতে পারিনি।তার জন্য নগর বাসীর কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি । তবে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় আমি প্রাপ্ত বাজেট অনুয়ায়ী যে কাজ করতে পেরেছি তা কোন অংশেই কম নহে।
এই স্বল্প সময়ে ৬০ লাখের অধিক জনগনের আশা-আকাঙ্কার প্রতিফলন সর্বদা পূরণ এতো সহজ নহে। তার পরেও আমি সকল কাউন্সিলরের সহযোগিতায় বানিজ্যিক রাজধাণীর ৬০-৬৫% উন্নয়ন কাজ করে জনগনের কাছে থাকার চেষ্টা করেছি।
আলোচিত গৃহকর নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা উচ্চ প্রশাসনের হস্তেক্ষেপে করের বোঝা থেকে জনগণ কে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে ট্যাক্স আদায়ে অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করার রেকর্ড চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দেখিয়েছে। শহরের আরো অনেক অবকাঠামো উন্নয়ন সামনের দুই বছরে সকলের সমন্বয়ে পুরণ করতে চেষ্টা অব্যাহেত থাকবে।
আরো অনেক সমস্যা সমূহ দ্রুত সফলভাবে করতে সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করেন্ তিনি। এসময়  বক্তব্য রাখেন-প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী,চসিকের প্রধান নির্বাহি শামসু দোহা,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাহাবুদ্দিন চৌধুরী,মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার মোজাফ্ফর আহম্মদ, দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, আল আহম্মদ,প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, সিউজের সভাপতি সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন শ্যামল,সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,বিজিইএম প্রাক্তণ সহ-সভাপতি মাইনুদ্দিন মিন্টু,চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডঃ ইফতেকার সাইমুল চৌধুরী,ওয়াসার এমডি এ.কে,এম ফয়েজ উল্রাহ ,চেম্বার পরিচালক অহিদ সিরাজ স্বপনপ্রমুখ।সিটি মেয়র বক্তব্যর শেষে ৩৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
সুধী সমাবেশের শেষে আগত প্রায় ২/৩হাজার লোকের জন্য ভোজ সভা আয়োজন হলেও ৫/৭শত লোক প্রথম দফায় খাবার গ্রহনের পরে দ্বিতীয় ব্যাচে কেউ খাবার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এ সময় আগত কাউন্সিলরের অর্ধেকের বেশীই খাবার পান নি বলে ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোবারক হোসেন,মহিলা কাউন্সিলর জেসমীন আক্তার জেসী,এবং সাবেক মেয়রের প্রেস সচিব আমীর হোসেন স্বীকার করেন।বাস্তব সত্য এই যে, মেয়র সহ তার সহকারীরা কেউ খাবার পাই নি।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ