অক্টোবর ২১, ২০২১ ৯:০১ অপরাহ্ণ

কে এই বিআরটিএ’র দালাল কোটিপতি শাহ আলম ?

শুধু বিআরটিএ’র অফিসে দালালি করে কোটিপতি বনে গেছে এক ব্যাক্তি । তার নাম শাহ আলম । অথচ শাহ আলম নামক সহকারী পরিচালক রয়েছে বিআরটিএ তে আর একজন । মাঝে মধ্যে ওই দালাল শাহ আলম নিজেকে বিআরটিএ’র  স্টাফও পরিচয় দিয়ে থাকেন। সুযোগ বুঝে সহকারী পরিচালক শাহ আলমের নাম ভাঙ্গিয়েও চাঁদাবাজি করে থাকে। এমনতরো চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

 

 

 

 

জানা গেছে , বিআরটিএ’র  দালালদের বস হিসেবে শাহ আলম পরিচিত। সব দালালেরা তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে । বিআরটিএ’র দালালদের গডফাদার শাহ আলম ধরা ছোঁয়ার বাইরে সংবাদ প্রকাশের পর তার সম্পর্কে নানান তথ্য আসছে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দালাল তার বিরুদ্ধে ডরে ভয়ে মুখ খুলছে না। প্রশাসনের কাছে  শাহ আলম  আটক হলেই অনেক তথ্য বের হয়ে আসবে বলে বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট লোকেরা জানায়।সম্প্রতি RAB দুই দফায় অভিযান পরিচালনা করে ৫১ জন দালাল আটক করে। আটককৃত তারা সকলেই মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় দালাল । এদের বিগ বস হলো এই কথিত শাহ আলম।এই শাহ আলমের অধীনে শতাধিক দালাল কাজ করে থাকে।

শাহ আলমের সাথে ১৮টি মোটর সাইকেল বিক্রেতা কিংবা দোকানদারের গলায় গলায় ভাব রয়েছে। এ সব মোটর সাইকেল বিক্রেতা  বিভিন্ন স্থান থেকে পুরান ও চোরাই মোটর সাইকেল গাড়ী কিনে নেয়। এসব গাড়ীর সব কাগজপত্র মোটা অংকের বিনিময়ে এই শাহ আলম দুই নাম্বারী কায়দায় করে দেয়। বিশাল একটি  চোর চক্রের পক্ষ হয়ে শাহ আলম বিআরটিএতে কাজ করে থাকে। বিআরটিএ’র কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই দালাল শাহ আলমকে অবৈধ সহায়তা দিয়ে থাকে।  দরবার মোটরসের মালিক মোরশেদের সাথে শাহ আলমের গভীর সম্পর্ক। মোরশেদ মোটর সাইকেল দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেয়। চান্দগাঁও থানার সামনেই রয়েছে  দরবার মোটরস নামক বিশাল দোকান। এই দোকানে বসে প্রশাসনের সামনে বিআরটিএ’র সকল অবৈধ হিসাব নিকাশ করে থাকে তারা। যদিও আমাদের প্রতিনিধির সাথে মুঠোফোনে দরবার মোটর্সের মালিক মোরশেদ দালাল শাহ আলমকে চেনেন না বলে দাবী করেন। তিনি এও স্বীকার করে বলেন,  আমাদের সমিতির সরকারী নিবন্ধিত নয়। আবেদন করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আবেদন করেছি। আবেদন ফটোকপি দেখতে চাইলে তিনি বলেন এইটি খুজেঁ পাচ্ছি না।

খবর পাওয়া গেছে, নগরের বাইরেও জেলা উপজেলার শোরুম মালিক ও গ্যারেজের লোকজন ও চোরচক্রের সাথে শাহ আলম ও মোরশেদের যোগাযোগ রয়েছে। এসব শোরুম মালিকের সাথে শাহ আলম ও মোরশেদের সাথে লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। একইভাবে শাহ আলম ও মোরশেদের মধ্যেও লেনদেনের তথ্য মিলছে আমাদের অনুসন্ধানে। মোরশেদকে টেলিফোনে পাওয়া গেলেও শাহ আলম অপরিচিত লোকের ফোন রিসিভ করেন না। আমাদের প্রতিনিধি এই বিষয়ে জানার জন্য 01823297565 এই নাম্বারে শাহ আলমের বক্তব্য জানতে যোগযোগ করলেও ফোন রিসিভ না হওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply