মার্চ ৭, ২০২১ ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম নগরের গণপরিবহনের দৃষ্টিপীড়ক

শাহিন আহমেদ

কাঠগর ও সি বীচ থেকে আগ্রাবাদ লালদিঘির পাড় এবং নিউমার্কেট এলাকার চলাচল করে অনেক গণপরিবহন যাত্রী তোলার জন্য দাঁড়ানো ৬-১০ বাস গণপরিবহন, সেখানে লক্ষ্য করে দেখা যায় এর পেছনে অংশে কোন বাতি নেই। বাসের রং কথাও উঠে গেছে কোথাও মরচে ধরা, অসংখ্য ফুটো। বাসের বিভিন্ন জায়গায় এলোমেলোভাবে লাগানো ছেঁড়া ফাটা পোস্টার। নগরী জুড়ে চলছে ভাঙাচোরা, লক্কর ঝক্কর গণপরিবহন। কোনটির রং চটা, কোনটির ছাল ওঠা। কোনটির জানালার গ্লাস ভাঙ্গা, কোনটার আবার দরজাও নেই। এ রকম দৃশ্য দূষণে বছরের পর বছর চলছে নগরীর গণপরিবহন। কিছু বাসের আসনের ও করুণ অবস্থা। বাসের ভাঙ্গা সিটে অনেক সময় যাত্রীদের জামা কাপড়, ছিঁড়ে গিয়ে লজ্জাষ্কর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। অনেক বাসের ভিতরে প্রস্রাবের দুর্গন্ধ, সিটে বাসা বেধেছে ছারপোকাও। ফিটনেসবহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব যানবাহনে চলাচল যেমন বিপদজনক, তেমনি নগরের সৌন্দর্য্যহানি ও করেছে।

বাস যাত্রীদের প্রশ্ন করলে তারা জবাবে বলে, আমরা চালকদের দোষ দেব না। দোষ দেব তাদের, যারা বাস রুটের অনুমোদন দিয়ে থাকেন। এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা পরিস্থিতি তারাই তৈরি করেন, সিমেন্ট ক্রসিং থেকে আগ্রাবাদ যাচ্ছিল ঝর্ণা আক্তার, তিনি বলেন আমার বয়স ৪০ এর উপরে, মাঝরস্তায় দৌঁড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি করে বাসে ওঠা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ওভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাসে উঠতে গিয়ে, নগরীতে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটেছে।সরকারের নীতিমালা না থাকায় এই সুযোগ নিচ্ছেন কিছু বাস মালিকরা, গত কয়েকদিন ধরে এমন চিত্র দেখা যায় নগরীর কাঠগর, আগ্রাবাদ এবং নিউমার্কেট এলাকায়। লোকাল সার্ভিস, সিটিং সার্ভিস এমনকি টিকেট সার্ভিসের গাড়িতেও একই অবস্থা। ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিআরটিএ থেকে রং ছটা বাস গুলোকে ফিটনেস দেওয়া হয়, এ কারণে আটক করেও জরিমানা করা যায় না।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply