বাংলাদেশ, বুধবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং, ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অহিংসা, মৈত্রী, বন্ধুত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে আমাদের – ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া

গতকাল ১৩ অক্টোবর নন্দনকাননস্থ বৌদ্ধ বিহার চত্বরে সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ফানুস উত্তোলন উৎসব সংগঠনের আহ্বায়ক টিংকু বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও মিথুন বড়ুয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত ফানুস উত্তোলন উৎসবে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

উদ্বোধনী ভাষণে বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করেন। পূর্ণিমার আলোয় আজ উদ্ভাসিত বাংলার জনপদ। প্রবারণা অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর যা কিছু মঙ্গলময়, যা কিছু ভালো তাকে প্রকৃষ্টরূপে বরণ করে নিয়ে, যা কিছু মন্দ ও পাপ তা বর্জন করাই হচ্ছে প্রবারণা। প্রবারণার ফানুস উৎসবটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের একটি হেরিটেজ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবারণা ও কঠিন চীবর দানোৎসব উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। যাতে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যকে ধারণ করে কদিন আগে সার্বজনীন দুর্গাপূজা হয়েছে, পবিত্র ঈদ, বড়দিনে জাতিভেদ ভুলে গিয়ে একই সঙ্গে আনন্দ উৎসব করি। আমরা বাংলাদেশে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আসুন জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের সমৃদ্ধি এবং বঙ্গবন্ধু কন্যার দীর্ঘ জীবনের জন্য প্রার্থনা করি। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, উদযাপন পরিষদ কর্মকর্তা নারীনেত্রী ববিতা বড়ুয়া, ত্রিদ্বীপ কুমার বড়ুয়া, স্বপন কুমার বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া, কানন চৌধুরী, স্বরুপ বিকাশ বড়ুয়া বিতান, প্রকৌশলী সীমান্ত বড়ুয়া, সজীব বড়ুয়া ডায়মন্ড, সনত বড়ুয়া, কাজল প্রিয় বড়ুয়া, প্রকৌশলী পলাশ বড়ুয়া, বিকাশ কুমার বড়ুয়া, রেবা বড়ুয়া, রাজেশ বড়ুয়া, সৌমেন বড়ুয়া, তরুণ সমাজসেবক ফরহাদুল ইসলাম চৌধুরী রিন্টু, রিকন বড়ুয়া, অর্ণব বড়ুয়া অভি, সম্যক শুভ বড়ুয়া, সুজন বড়ুয়া, দোলা চৌধুরী, শুভময় বড়ুয়া প্রমুখ।

এই ফানুস উৎসবে সীবলী সংসদ চট্টগ্রাম, ত্রিরত্ন সংঘ, সম্যক সংঘ, আর্য সংঘ, প্রচেষ্টা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, প্রজ্ঞালো সংগঠন, বাংলাদেশ কলেজ-ইউনিভার্সিটি বুড্ডিস্ট স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন, শ্রাবক সংঘ, বৌদ্ধ মৈত্রী ছাত্র সংসদ, পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটি বৌদ্ধ মৈত্রী ছাত্র সংসদ, দূলর্ভ সংঘ, সারিপুত্র যুব সংঘ, অগ্রদূত বৌদ্ধ সংগঠন, নির্বান সংঘ, মঙ্গল সংঘ এই সংগঠন সমূহের উদ্যোগে বিভিন্ন ডিজাইনের দুই হাজারের অধিক ফানুস উত্তোলন করা হয়। ফানুস উত্তোলন আনন্দময় পরিবেশে উদযাপন করতে পেরে উদযাপন কমিটি প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের দায়িত্ব পালনকৃত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতি সম্মানের সহিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আরো খবর

Leave a Reply