বাংলাদেশ, সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

আনোয়ারায় ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

আনোয়ারা প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের এক সুন্দরতম ও পর্যটন কেন্দ্রের নাম আনোয়ারা উপজেলা । ১৫ বছরের মধ্যে প্রতিটি গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত সিটিতে পরিণত হয়েছে এই উপজেলাটি । যেখানে বর্তমানে রয়েছে বিশাল বিশাল শপিং সেন্টার এবং বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য ইত্যাদি। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও ঈদের বাজারের পরিস্থিতি আগের চেয়ে কেনাকাটা ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে, শুধু আনোয়ারা উপজেলার নয়, আনোয়ারার পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলা কর্ণফুলী, বাশঁখালী, চন্দনাইশ উপজেলার লোকেরাও আনোয়ার প্রাণকেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী এবং বটতলী হাজ্বী ইমাম শপিং সেন্টার,ইত্যাদি শপিং সেন্টার ইত্যাদিতে ঈদের কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাতরী চৌমুহনী বাজারের নতুন করে গড়ে উঠা শপিংমল ওয়ান মাবিয়া সিটি সেন্টারে হাজার হাজার কাস্টমারদের আনাগোনা। নতুন শপিংমল হিসেবে মানুষের আকর্ষণ বেশি দেখা যাচ্ছে,যা রাত-দিন পুরোদম চলছে, সে শপিং সেন্টারে ঈদের ব্যবসা।আনোয়ারা আরেকটি শপিং সেন্টারের নাম হাজ্বী ইমাম শপিং সেন্টার, যেটা হযরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) অধ্যুাষিত এলাকা বটতলী রুস্তমহাট বাজারে অবস্থিত,  প্রায় ১০ বছর আগে স্থানীয় ব্যবসায়ী হাজ্বী জামাল উদ্দীন সওদাগর ও তার ভাইয়েরা মিলে ৪/৫ টি বিশিষ্ট ৪/৫ তলা ভবন নির্মাণ করে নিচের ১/২ তলায় শপিংমল করেন,যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার কাস্টমারদের ভিড় জমাচ্ছে ঈদের কেনাকাটা করতে, হাজ্বী ইমাম শপিং সেন্টারের স্বত্বাধিকারী জামাল উদ্দীন সওদাগরের কাছে কাস্টমারদের কেনাকাটা ও নিরাপত্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান আনোয়ারা উপজেলা সর্ববৃহৎ শপিংমল হল আমাদের এই হাজ্বী ইমাম শপিং সেন্টার,যেখানে নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক নিরাপত্তার জোরদার করেছি,যাতে কোন বিশৃঙ্খলা বা কাস্টমারগণ হয়রানির শিকার না হন,তিনি আরো বলেন এখানে শুধু আনোয়ারা উপজেলা মানুষ নয় আমাদের শপিংমলে অন্য উপজেলা থেকেও প্রতিদিন হাজার হাজার কাস্টমার ভিড় জমাচ্ছে। শপিংমলের একজন টেইলার্সের মালিক মোঃ আরিফের কাছে ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাস্টমার গত বছরের তুলনায় এবারে অনেক বেশী, কিন্তু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লোডশেডিং হওয়াতে আমাদের কাপড় সেলাইয়ে অনেক কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে, যার কারণে আমরা নতুন কাপড় সেলাইয়ের জন্য নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ওয়ান মাবিয়া সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী মাস্টার মোঃ ইউচুফ সওদাগরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাতরী বাজারের প্রাণকেন্দ্র ওয়ান মাবিয়া সিটি সেন্টারে এত কাস্টমারদের ভিড় রাতদিন বেচাকেনা ছাড়া ঘুম যাওয়ার সময় পাচ্ছি না। কর্ণফুলী উপজেলা থেকে আসা এক কাস্টমারের কাছে ঈদের শপিংয়ের দাম-মূল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন – এই রমজানে আনোয়ারাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমেদ ও উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে অনেক মনিটরিং এবং ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা হওয়ায় বাজারের সবকিছু নিম্ন মূল্যে রয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা রয়েছে, এতে আনোয়ারা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার মানুষরাও এখানে এসে নিশ্চিন্ত ঈদের কেনাকাটা করতে সক্ষম হচ্ছে।

আরো খবর

Leave a Reply