বাংলাদেশ, বুধবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রোবটের সাহায্যে আসবাব বানাচ্ছে হাতিল

সাভারের জিরানী বাজারে হাতিলের সাড়ে আট লাখ বর্গফুট আয়তনের অত্যাধুনিক কারখানায় স্থাপন করা হয়েছে রোবট। জার্মানি ও ইতালি থেকে আমদানিকৃত চতুর্থ প্রজন্মের এসব রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নকশা অনুযায়ী বোর্ড ও কাঠকাটা, কাঠ ও বোর্ডের ওপর নিখুঁত নকশা, রং করাসহ বিভিন্ন কাজ করছে। ফলে নকশা ও মানের দিক দিয়ে হাতিলের আসবাবে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। যা কি না দেশি-বিদেশি প্রতিযোগী ব্র্যান্ডের তুলনায় হাতিলকে আরো বেশি স্বতন্ত্র ও আকর্ষণীয় হতে সাহায্য করছে। কারখানায় অত্যাধুনিক রোবট স্থাপন করায় হাতিলের আসবাব উত্পাদনের সমক্ষমতা দ্বিগুণ হয়েছে। তবে অন্য শিল্পকারখানার মতো এসব রোবট শ্রমিকদের কর্মসংস্থানে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি। উল্টো সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আসবাব রপ্তানিতে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

১১ একর আয়তনের হাতিলে কারখানায় প্যানেল, কাঠ, চেয়ার ও সোফা, কাপড়, মেটাল আসবাব, ফোম, বোর্ড ইত্যাদি ইউনিট আছে। সব মিলিয়ে হাতিলে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। নতুন কারখানার বিষয়ে হাতিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম এইচ রহমান বলেন, দুনিয়া এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে। ফলে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়। সময়টা আমরা কাজে লাগিয়েছি। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে অত্যাধুনিক আসবাব তৈরির কারখানা করেছি। আজকের এই বিনিয়োগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের আসবাব রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

সারাদেশে বর্তমানে হাতিলের ৭৩টি বিক্রয়কেন্দ্র বা আউটলেট আছে। আর দেশের বাইরে আছে ১৭টি। তার মধ্যে কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ১২টি, নেপালে ২টি এবং ভুটান, মালয়েশিয়া ও কানডায় একটি করে ফ্রাঞ্চাইজি আছে হাতিলে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের হাতিলের কারখানা পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন হাতিলের পরিচালক (বিপণন) মশিউর রহমান, পরিচালক (উত্পাদন) শফিকুর রহমান, অ্যাডভাইজার (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) দেওয়ান আতিফ রশিদ, জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) ফিরোজ আল মামুন প্রমুখ।

আরো খবর

Leave a Reply