বাংলাদেশ, রবিবার, ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

২০৩৩ সালে মঙ্গলে পাড়ি ?

১৯৬৯ সাল। চাঁদে প্রথম পা রেখেছিলেন নিল আর্মস্ট্রং এবং বাজ অলড্রিন। এর পরে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর কেটে গিয়েছে। পুরনো সেই মুহূর্ত ফিরিয়ে আনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসাও। ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি নির্দেশিকায় সই করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্দেশিকার বক্তব্য ছিল এ রকম, চাঁদে ফের মানুষ পাঠানো হোক এবং তার পরের গন্তব্য হবে মঙ্গল। নাসা জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালে ফের চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা। আর মঙ্গলে ২০৩৩ সালে।

সমপ্রতি একটি সম্মেলনে নাসার অন্যতম কর্মকর্তা জিম ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, ‘নতুন চন্দ্রাভিযানে আমাদের দক্ষতা ও ক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। সেখানে সফল হলে পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গল।’ হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারের অন্যতম বিশেষজ্ঞ রবার্ট হাওয়ার্ডের মতে, বিষয়টি বিজ্ঞান কিংবা প্রযুক্তিগতভাবে যতো না জটিল, তার থেকেও বেশি চিন্তার বিশাল অঙ্কের খরচ। মহাকাশযানের নকশা তৈরি, নির্মাণ, বিভিন্ন পরীক্ষা, এ সব কাটিয়ে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি জমানো সম্ভব হবে ২০২৭ সালে। রওনা দেওয়ার পর চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করতে সময় লাগবে তিন দিন।

অন্যদিকে কিন্তু মঙ্গলে পৌঁছাতে কমপক্ষে ৬ মাস লাগবে। গোটা অভিযান শেষ করতে লাগবে দুই বছরেরও বেশি। ২৬ মাস অন্তর মঙ্গল ও পৃথিবী সবচেয়ে কাছে আসে। গ্রহটিতে পাড়ি দেওয়ার জন্য ওই সময়টাই সেরা। বিজ্ঞানীদের একাংশ অবশ্য খরচের চেয়ে অন্য বিষয়ে বেশি চিন্তিত। নাসার বিজ্ঞানী জুলি রবিনসন বলেছেন, ‘অন্যতম চিন্তা হচ্ছে, খাবার। অত দিনের জন্য খাবার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তাছাড়া মঙ্গলের আবহাওয়ায় কেউ অসুস্থ হলে চিকিত্সা প্রক্রিয়াও জানতে হবে। মহাকাশচারীদের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে বাঁচার মতো পোশাকও চাই। সর্বোপরি, টানা দুই বছর জনমানব-বর্জিত হয়ে থাকাটা কম চ্যালেঞ্জের নয়। -আনন্দবাজার

আরো খবর

Leave a Reply