আসাদুল ইসলাম
নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত মোটরসাইকেল উদ্ধার ও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে। সিএমপির উত্তর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে পুলিশের তৎপরতা প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী জানা যায় , ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে মো. জামাল উদ্দিন জিকুকে ফোন করে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রৌফাবাদ বাগদাদ হোটেলের সামনে পাকা সড়কে নিয়ে আসেন গাজী সরোয়ার শ্রাবণ। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে তাঁরা জামাল উদ্দিনকে মারধর করে তাঁর ব্যবহৃত সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিন বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা করেন। ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৩৫। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোস্তাফা স্বপনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) বাহার মিয়া সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ পাঁচলাইশ থানাধীন মমিনবাগ ৪ নম্বর রোডের নাহার ভবনের নিচতলায় অভিযান চালান।
এ সময় রবিউল হোসেন ভূঁইয়া ও আদনান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া সুজুকি জিক্সার এফআই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত চট্টগ্রাম মেট্রো-ব-১২-১৫৮০ নম্বরের সাদা প্রাইভেটকারটি জব্দ করে পুলিশ।



