নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা এমডি আকতার হোসেন শাহিনকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহসভাপতি পদবি সংবলিত তাঁর একটি ভিজিটিং কার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ বিতর্কের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের নেতাদের বক্তব্যের পাশাপাশি শাহিনের রাজনৈতিক পরিচয়, অতীত কর্মকাণ্ড ও দলীয় অবদান নিয়েও আলোচনা চলছে।
শাহিনের সমর্থকদের দাবি, তিনি দীর্ঘ ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৭ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁকে একাধিক মামলা, হামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাঁরা তাঁকে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেও উল্লেখ করেন।
শাহিনের সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি তাঁকে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহসভাপতি উল্লেখ করে তাঁর ছবি সংবলিত একটি ভিজিটিং কার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নজরে আসার পর শাহিন নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বক্তব্য দিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেন এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ এক বিবৃতিতে সংগঠনের নাম ও পরিচয় ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয়তাবাদী যুবদল ‘যুব-ঐক্য-প্রগতি’ মূলমন্ত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের আদর্শে পরিচালিত একটি সংগঠন। সংগঠনের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যাতে অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
এ ছাড়া যুবদলের নাম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।



