নেই পরিবেশ, ফায়ার সার্ভিস, বিএসটিআই ও ট্রেড লাইসেন্সও

 ♦ লাখ লাখ কচি কাঁচা শিশুরা এসব আইসক্রীম খায়
 ♦ গনচিনি, চ্যাকারাইন, ময়লাযুক্ত পানি ও বিষাক্ত ক্যামিক্যাল ব্যবহার
  ♦ ওসির দোহাই দিয়ে চলে এসব ভেজাল আইসক্রীম ফ্যাক্টরী
নিজস্ব প্রতিনিধিবন্দর থানার ঈশান মিস্ত্রী হাটের উত্তরে খালপাড়ের পশ্চিমে পর পর ২টি আইসক্রীম ফ্যাক্টরী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও অনুমোদন ছাড়াই  ময়লাযুক্ত পানি, বিষাক্ত ক্যামিকেল, গণচিনি ও রং ব্যবহার করে আইসক্রীম বানিয়ে বিভিন্ন দোকান, স্কুল কলেজ ও মাদ্রসার গেইটে বিক্রি করে শিশুদের ঠকিয়ে আসছেন । হারুন ও মিজান নামক ২ ব্যাক্তি এই দুই ফ্যাক্টরীর মালিক । ফ্যাক্টরী দুইটি একটির সাথে একটি লাগোয়া। ছোট ছোট শিশুরাই এই দুই ফ্যাক্টরীর কর্মচারী। শিশু আইনও এখানে কার্যকর নেই। তবে শ্রম অধিদপ্তরের লোকজন এখানে মিজান ও হারুন থেকে মাসে মাসে টাকা নিয়ে যায়।
জানা গেছে, ২০টি ভ্যান গাড়িযোগে প্রতিদিন ২ লাখ পীচ আইসক্রীম তৈরি  ও সরবরাহ করা হয় এখানে। ‘স্পেশাল ব্রাঞ্চি সব মালাই আইসক্রীম’ স্টেবেরী আইসক্রীম, স্বাদ ললি আইসক্রীম  ও স্বাদ চকবার আইসক্রীম-এর পলিথিন প্যাকেট পাওয়া যায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে। এসব আইসক্রীম ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। প্রতিদিন এই ফ্যাক্টরী থেকে বিপুল পরিমান টাকা কামিয়ে নিলেও সরকারি কাগজপত্র নিতে রাজি নয় মিজান ও হারুন।
 কাগজপত্র কেন নেননি এই বিষয়ে জানতে চাইলে তারা দুইজনই বলে  বিএসটিআই, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরের সবাই ঘুষখোর। বন্দর থানার ওসি নিজে ও থানা পুলিশ মোটা অংকের প্রতিদিন চাঁদা পায় বলে তাদের কোন সমস্যা হবে না বলে দম্ভোক্তি করেন তারা।
একসময় বিএসটিআই’র মোস্তাক মাসোহারা নিত এখন তার স্থলে মনতোষ বড়ুয়া নেন মাসোহারা। ফলে বিএসটিআই তাদের ঝামেলা করে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের জনৈক দারোয়ানও মাসোহারা নেয়। ওসির জন্য চাঁদা নেয় ক্যাশিয়ার আবেদ । ফায়ার সার্ভিসও ম্যানেজ। কোন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করেই খাদ্যের নামে অখাদ্য উৎপাদন ও বেচা বিক্রির ঝামেলা না থাকায় মিজান ও হারুন ধরাকে সরা জ্ঞান করে চলছে। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরও কেন ঘুমিয়ে আছেন তা কেউ জানে না।
শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ