আলহাজ্ব মো: হাসান চৌধুরী আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন । ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বারশত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান হবার পর এলাকার সুখে দুঃখে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।
জানা গেছে , চেয়ারম্যান আমির হোসেন দোভাষীর নাতি হলেন হাসান চৌধুরী। হাসান চৌধুরীর দাদা ১৯২২ থেকে ১৯৬২সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪০বছর একটানা এই জনপদের চেয়ারম্যান ছিলেন। হাসান চৌধুরীও ২০০৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত একটানা বারশত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।
২০১৬ সালে নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলে নৌকার প্রার্থীর কাছে তিনি ঠিকতে পারেনি । সেই সময় তাঁর ঘরবাড়ি, গাড়ি ভাংচুর ও সমর্থকদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয় দুস্কৃতকারীরা। ২০১১ সালে তিনি প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কর্তৃক চাঁদাবাজি মামলার শিকার হন।। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও গাড়ি পোড়ানো মামলা দেয়া হয় তাঁকে। ২০১১ সালেও চাঁদাবাজি মামলাসহ অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলার আসামী হন হাসান চৌধুরী।
প্রত্যক্ষভাবে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন হাসান চৌধুরী। ২০১৪ সালের আন্দোলন ও ২০১৮ সালের আন্দোলনে শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিকভাবে যা যা প্রয়োজন ছিল সবই দিয়েছেন তিনি। এগুলো করতে গিয়ে তিনি অসংখ্য মামলা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ও পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে মিছিল মিটিং সফল করার জন্য দলের প্রতি অনুগত থেকে কাজ করেছেন।
২০০৩-২০১৪ সাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ২০১৪-২০২২ সাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ২০২২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক’র দায়িত্ব পালন করে আসছেন হাসান চৌধুরী। তিনি এবার শুধু বারশত নয় গোটা আনোয়ারাবাসীর সেবা করতে চান। এই কারনে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান , চান সকল মানুষের দোয়া ও ভালবাসা।



