ইতিমধ্যে দেশবাসী জানতে পেরেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ একটি গ্রুপ দখল করেছে। বর্তমান দুর্নীতিবাজ পরিচালনা পরিষদ এখানে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে অফিসার হিসাবে নিয়োগ পেয়েছে এমন অফিসারদের মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে চাকরিচ্যুত করার ঘৃণ্য পরিকল্পনা করছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের পুনঃ পরীক্ষা নিতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আদালত অবমাননা করে পরীক্ষা নিয়ে শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই অবস্থায় যে অফিসাররা পরীক্ষা বর্জন করেছে তাদেরকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আইডি ব্লক করে রেখেছে, ওএসডি করেছে বা বরখাস্ত করেছে। এর প্রতিবাদে সম্প্রতি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন এর আয়োজন করে। এতে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও আহবায়ক ইদ্রিস মিঞা, চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ, ব্যাংক এর ভিকটিম অফিসার বৃন্দ ও এনসিপি নেতৃবৃন্দ।
বক্তাগন প্রধান উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর এর সহযোগীতা কামনা করেন । মানববন্ধনে কয়েক হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি,এনসিপি অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন সমর্থন দিয়েছে। তারা দাবী করেন ইসলামী ব্যাংকের শুধু চট্টগ্রামের ৫৫০০ অফিসার কে নিয়োগ বাতিল করেছে তাদেরকে পুনরায় চাকরিতে বহাল না করলে করলে চট্টগ্রামকে অচল করে দেয়া সহ চট্টগ্রামের ইসলামী ব্যাংকের সকল শাখায় গ্রাহকদেরকে টাকা জমা দেয়া বন্ধ করতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হবে। গ্রাহকদের ব্যাংকে না যাওয়ার জন্য এবং চাকুরীচ্যুত দের পৃনঃবহাল এক দফা এক দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে আগামী ৯ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর দুই সপ্তাহ চট্টগ্রাম জেলার ইসলামী ব্যাংকের কোন শাখা না খোলার অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে এবং গ্রাহকদেরকে ইসলামী ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং ইসলামী ব্যাংক খুলতে দেয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছেন চট্টগ্রামের চাকুরীচ্যুতরা, অভিভাবকগন, আপামর জনগন, বিভিন্ন পেশাজীবি এবং চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক ফোরামের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ।
শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ বলেন এই আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন অপচেষ্টা করলে যেকোনো ধরনের ক্ষযক্ষতির জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।



