শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ
বাংলাদেশ টেলিভিশন( চট্টগ্রাম কেন্দ্রের) এর জিএম (চলতি দায়িত্বে) ইমাম হোসাইন। চট্টগ্রাম থেকে বদলি হয়ে পদোন্নতি নিয়ে ফের চট্টগ্রাম আসেন।

প্রচার আছে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাবেক নৌমন্ত্রী শাহাজাহান খানের খুব কাছের লোক। তা বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মুখেমুখে ।

৫ই আগস্ট পরবর্তী বদলি হয়ে তার চট্টগ্রাম আসলে তার ফেসবুক প্রোফাইলে নিজেকে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) অনুসারী হিসাবে প্রচার করতে থাকেন বাস্তবে তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তিনি বঙ্গবন্ধুর ছবির সাথে ছবি তুলতে ভালোবাসেন।
এমন ব্যক্তি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নিজেকে বিএনপির আদর্শের কর্মী প্রচারে ব্যস্ত হয়ে গেছেন ।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বেতার রংপুর কেন্দ্রের উপ-পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে অবমুক্তির বিষয়টি আদেশে বলা হয়েছে।বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের দোসর। দীর্ঘদিন ধরে প্রোগ্রাম ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা রোমানা শারমিন এখন ভোল পাল্টে বিএনপির সমর্থক সাজতে ব্যস্ত।যেই লাউ সেই কদু । যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তার দালালি করা যেন তার নিত্য সঙ্গী। জেনারেল ম্যানেজারদের লোপাটে অস্ত্র এই রোমানা শারমিন।আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সে এখনো ব্যস্ত।

বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রে শিল্পী সম্মানীর নামে অর্থ লোপাট অনেকটা ওপেন সিক্রেট। সাবেক নিতাই কুমার, মাহফুজা পারভিন, সদ্য বিদায়ী জিএম আনোয়ার হোসেন রঞ্জু ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার রোমানা শারমিনের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গত দেড় বছরে অনুষ্ঠানমালার বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি টাকা লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ আছে। গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিয়মিত অনুষ্ঠান ধারণ ও প্রচার প্রায় বন্ধ থাকলেও ২ কোটি ২০ লাখ টাকা বাজেট করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেড় কোটি টাকা উত্তোলনও করা হয়েছে

বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একটি অনুষ্ঠানের নাম ‘রান্না কথন’। এর প্রযোজক কন্ট্রোলার বা প্রোগ্রাম ম্যানেজার রোমানা শারমিন। ৫ সেপ্টেম্বর প্রচারিত ২৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন একজন উপস্থাপক ও একজন আলোচক। অথচ বিল করা হয়েছে ১২ জনের নামে। এর মধ্যে আটজনই আলোচক। বিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, উপস্থাপিকা ২ হাজার টাকা, আলোচক ৩ হাজার ও অনুষ্ঠান সহকারী দু’জন ৪ হাজার ৩৩২ টাকা সম্মানী পেয়েছেন। একটি রান্নার অনুষ্ঠানে আটজন আলোচক থাকার বিষয়টি অবাস্তব বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে এই অনুষ্ঠানে সর্বমোট ১৭ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও বিল করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৩২ টাকা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ