ডবলমুরিং মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর আহলাদ ইবনে জামিল, পিপিএম এর নেতৃত্বে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যা মামলার পলাতক আসামী মোঃ আবু তৈয়ব (৩৫) এর অবস্থান সনাক্তপূর্বক বরিশাল মেট্রোপলিটন এর কোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, আসামী গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে দীর্ঘ ৫ মাস কৌশলে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। আটক আসামীকে যথাযথ নিয়মে ১৭ জানুয়ারী বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ভিকটিম জাহাঙ্গীর আলম (৩৩) একজন ট্রাক গাড়ির মালিক। আসামী গাড়ির ড্রাইভার। ১ আগষ্ট ২০২৪ তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় গাড়ির ভাড়ার বিষয় নিয়ে ভিকটিমের সাথে আসামীর কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামী ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি ইট হাতে নিয়ে ভিকটিম জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা করার কুমানসে মাথার পিছনে সজোরে আঘাত করে গুরুতর হাড়ভাঙ্গা জখম করে। এতে ভিকটিমের মাথার খুলি ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মাটিতে ঢলে পরে। ভিকটিমের শৌর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন চার দিক হতে এগিয়ে জখমি ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় তড়িগড়ি করে চট্টগ্রাম মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আশংকাজনক দেখে তাকে চট্টগ্রাম মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল হতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। পরবর্তীতে এম্বুলেন্স যোগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেডিকেলের আইসিও ১১নং সিটে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৪ আগষ্ট কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষনা করে। ভিকটিমের মৃত্যুর বিষয়ে ডবলমুরিং থানার পুলিশকে অবহিত করলে ডবলমুরিং থানা পুলিশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ৫ আগষ্ট মৃত দেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতপূর্বক ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেন। তৎকালীন দেশের চলমান পরিস্থিতি কারনে ৫ দিন হাসপাতালের হিমায়িত ঘরে থেকে ৯ আগষ্ট ময়নাতদন্ত শেষে ডবলমুরিং থানা পুলিশ মৃতদেহ বুঝিয়ে দেয়।



