কোটা আন্দোলনকে পূজিঁ করে বিএনপি-জামায়াত শিবির ও জঙ্গিবাদীদের সন্ত্রাস, অগ্নি সংযোগ, নৈরাজ্য অরাজকতা এবং সহিংসতা প্রতিরোধ করার জন্য চট্টগ্রামের ছাত্র সমাজের প্রতি আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সাবেক ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন-কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভুদ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা সাম্প্রতিক ঘটনায় তরুণ শিক্ষার্থী, সাধারণ পথচারী, সাংবাদিক এবং পুলিশ নিহত হওয়ায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। এ আন্দোলনের আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার ও নিহতদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে কোটা আন্দোলনের নামে বিএনপি, জামায়াত-শিবির-জঙ্গিবাদী শক্তির সুপরিকল্পিত, সুসংগঠিত ধ্বংসাত্মক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। তারা সুপ্রিম কোটের আপীল বিভাগর রায় ও নির্দেশনার আলোকে সরকার কর্তৃক দ্রুত পরিপত্র জারী করে সমস্যার সমাধান হয়ে যাওয়ায় আন্দোলনকারীদের ধৈর্য্য ধারণ এবং অর্জিত বিজয় ধরে রেখে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহবান জানান। তারা কোটা আন্দোলন হাইজ্যাক করে বিএনপি-জামায়াত-শিবির-জঙ্গিরা যাতে অপরাজনীতি করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকার জন্য চট্টগ্রামের ছাত্রনেতাদের প্রতি আহবান জানান। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। এটি করা হয়েছে মূলত দেশকে অস্থিতিশীল এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাঁধাগ্রস্থ করার লক্ষ্য নিয়ে। এদের আন্দোলনের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিজস্ব আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই, থাকতে পারে না। একটি জাতির ভিত্তি তার স্বাধীনতার ইতিহাস এবং চেতনার জাগায়। আমরা যদি কোনভাবে সে জায়গা থেকে সরে যায় কিংবা ভুলে যায় তাহলে আমাদের যাবতীয় অর্জন ম্লান হতে বাধ্য। আসুন আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করি এবং সে চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিই। কেন না মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সহিংসতা ও অরাজকতার কোন সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের চেতনার সঙ্গে সহিংসতার কোন সম্পর্ক নেই। ১৪ দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি এবং ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধ হউক পাথেয় এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতি দাতারা বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম আর আজিম, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাজিবুল আহসান সুমন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুরুল আলম, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক আবু সালেহ, ছাত্র মৈত্রী চট্টগ্রাম মহাগর শাখার সাবেক সভাপতি কায়সার আলম, ছাত্র সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি শিবু দাশ, ছাত্র মৈত্রী চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশীষ ভৌমিক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন, ছাত্র মৈত্রী চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি সৈয়দ শিবলী সাদিক প্রমুখ।



