ইয়াবা ধরার পর পাচারকারী চক্রের মূল হোতাকে এই প্রথম একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি সমাজে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে ছিলেন। যতই আড়ালে আবডালে থাকুক, ইয়াবার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করা হবে। ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যার নাম আসবে তাকে সমাজে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে সংবাদ সম্মলনে বললেন স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
আটকের পর গতকাল রোববার বিকেলে নগরীর পতেঙ্গায় র্যাব-৭ এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, র্যাবের অতিরিক্ত মহা -পরিচালক আনোয়ার লতিফ খান, র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ও র্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন।
গত ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে চট্টগ্রামে প্রায় ৭৬ লাখ ইয়াবার চারটি চালান খালাস করেছে সংঘবদ্ধ ইয়াবা সিন্ডিকেটের প্রধান মোজাহার। পঞ্চম দফায় আরও ২০ লাখ ইয়াবার একটি চালান আনতে গিয়ে র্যাবের হাতে ধরা পড়েছে আনোয়ারা-গহিরার সবচেয়ে বড় মাদক সিন্ডিকেটটির প্রধান মোজাহারসহ ৯ জন।দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক ইয়াবা চালানের মধ্যে রোববার (১৬ এপ্রিল) আটক হওয়া চালানটি দ্বিতীয় বড় চালান বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ।
এতে আরও জানানো হয়, মোজাহার, জলিল প্রকাশ লবণ জলিল এবং আব্দুর নূর এই তিনজন মিলে গত চার মাসে ৭৬ লাখ ইয়াবা দেশে নিয়ে আসে। সর্বশেষ ২০ লাখ পিস ইয়াবার চালানটিও তারাই দেশে এনেছিল। শুক্কুর, লাল মিয়া ও মগ সেন্সু নামে মিয়ানমারের তিন নাগরিক তাদের ইয়াবাগুলো সরবরাহ করেছিল।



