সাইফুর রহমান শামীম
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার এক মুক্তিযোদ্ধার স্কুল পড়–য়া কিশোরী কন্যাকে ১১ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে। লম্পট ধর্ষক দম্ভ করে ধর্ষিতাকে বাবার বাড়ীতে প্রকাশ্যে রেখে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পরও গ্রেফতার না করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দায়সারা কথা বলছে। লম্পট ধর্ষক উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের খামারের বাজার সংলগ্ন মৃত শাহআলম মুনসীর বখাটে ছেলে সুলতান মাহমুদ মন্ডল(২৪)।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার পুর্বধনীরাম গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. মন্তাজ আলীর মেয়ে ফুলবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। গত ১৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকালে তারই ধারাবাহিকতায় বাড়ীর পাশের শাহবাজার নামের একটি বাজারে ওই কিশোরী ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে লম্পট সুলতান মাহমুদ মন্ডল। মেয়েটি কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই রুমাল মুখে চাপা দিয়ে ভারাটিয়া মোটর সাইকেল যোগে প্রথমে পার্শ্ববর্তী উপজেলা নাগেশ্বরী পরে ঢাকায় নিয়ে যায়। এ দিকে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোজা খুজির পর জানতে পারে লম্পট সুলতান মাহমুদ মন্ডল মেয়েটিকে নিয়ে তার মামার বাড়ী কুমিল্লায় চলে গেছে। সেখানে গিয়ে তারা নিজেকে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে অবাধে রাত্রি যাপন করে। এরই মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে আবার লম্পট সুলতান মাহমুদ মন্ডল মেয়েটিকে দীর্ঘ দিন ধর্ষণ শেষে উপজেলার খোচাবাড়ীতে নিয়ে এসে বেলালের বাড়ীতে এসে দুইদিন ধর্ষণ করে। মেয়েটি সুলতানকে বিয়ের কথা বললে সে তালবাহানা শুরু করে দেয়। পরে মেয়ের পরিবারকে থানায় মামলা না করতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছে লম্পট সুলতান মাহমুদ।
এব্যাপারে ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কানাই চন্দ্র সেন জানান, আমার স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বখাটে সুলতান মাহমুদ যে কাজটি করেছে তাকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দেয়া হোক।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইন গত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ