অভিযোগে আরও বলা হয়, জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর অধিক্ষেত্র পুরো চট্টগ্রাম মহানগর। এ সুবাদে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা, বদর, কাস্টমস, পুলিশ, সিডিএ, বিআরটিএ, রেলওয়ে, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিস, পাসপোর্ট অফিস, চসিক, ওয়াসা, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি দমন করার পরিবর্তে এসব খাত থেকে কোটি কোটি টাকা অবৈধ আয় করছেন তিনি। এসব টাকা ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম কমু ও ইন্ট্রাকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এইচএম হাকিম আলীর মাধ্যমে বিদেশে পাচার করছেন তিনি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ব্যক্তিগত ট্যুরে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে যান চন্দন। মূলত পাচার করা টাকার ব্যবস্থা করতেই সেখানে গিয়েছেন।
অবৈধ উপার্জনে নিজের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরের বিশ্বাস বেতকা ঢাকা রোডে জমি কিনে বিল্ডিং করেছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার খিলজী রোডের শ্যামলী বি-ব্লকে বাড়ি করেছেন। অথচ তার বাবা মনজুরুল হক ছিলেন কৃষক। চন্দনের হয়ে টাকা কালেকশন করে দুদক চট্টগ্রামের শফিক ইসলাম। শফিকের বাড়িও চন্দনের এলাকা টাঙ্গাইলে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লুৎফুল কবির চন্দন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। এ বিষয়ে দুদক জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন তিনি। সুত্র ইত্তেফাক অনলাইন ডেস্ক



