বাংলাদেশ, বুধবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং, ১১ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

মোজাফ্ফরাবাদ বধ্যভূমি সংরক্ষন কমিটির সাথে মত বিনিময়কালে- অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের মাঝে মিশেই প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে

 

আজ সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সভায় বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সাধারন সম্পাদক লেখক তরুণ সমাজ সেবক বিপ্লব সেনের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, লেখক শহীদ কাদের, শহীদ পরিবারের সন্তান অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী, লেখক ও গবেষক শামসুল হক, মুজাফরাবাদ মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লেখক বিপ্লব সেন, সমন্বয়ের সাবেক সভাপতি প্রকাশ ঘোষ পিকলু, রিমন মুহুরী,অধ্যাপক বেলাল হোসাইন, অরুপ সেন, রাজীব দাশ, প্রদীপ কর, পলাশ ধর প্রমুখ।  এসময় বিপ্লব সেনের লিখিত ও মহান মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ ছবি সম্বলিত ” ৩ মে ১৯৭১ মোজাফ্ফরাবাদ গণহত্যা দিবস” নিবন্ধের মুদ্রিত গ্রন্থটি উপস্থিত সকলকে উপহার দেন লেখক। মতবিনিময় সভায় ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ডাকসুর সাবেক সম্পাদক, লেখক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেন, একাত্তরের ২৫ মার্চ কালো রাতে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে বাঙ্গালী নিধনের যে নারকীয় গণহত্যা শুরু করেছিল পাক হানাদার, তার ধারাবাহিকতায় ৯ মাস ধরে সারা বাংলার প্রতিটি শহর, নগর ও ৬৪ হাজার গ্রামে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তারা তাদের এ দেশীয় দালাল রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের সহযোগিতায়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে । তার অধিকাংশই একই কথাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উপস্থাপন। অথচ সারাদেশে সংঘটিত নারকীয় ঘটনাগুলির মর্মান্তিকতা স্বতন্ত্রভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ তেমনটা নেই। আমাদের বীরত্বগাথার পাশাপাশি পাক হানাদার ও তাদের এ দেশীয় দালালদের পৈশাসিকতাকেও প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে যাতে তাদের প্রতি ঘৃণার জন্ম হয়, তাদের সম্পর্কে সতর্কতার জন্যই তা প্রয়োজন। সেই অপশক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এখনো সক্রিয়। তারা মিশে আছে আমাদের মাঝে এবং প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে তৎপর। এ অবস্থায় বিপ্ল সেনের মতই যুব সমাজের প্রতিনিধিদিদের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষন ও প্রকাশে উদ্যোগী ভুমিকা অনেক অনেক  বেশী করে প্রয়োজন।

 

আরো খবর

Leave a Reply