বাংলাদেশ, শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পাবনা-৪ ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া আসনের উপ নির্বাচন শনিবার

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্য রাতে শেষ হয়েছে। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম ব্যস্ত সময় কাটান। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তারা শহর-গ্রামের অলিগলি চষে বেড়ান। তাদের পক্ষে নেতা-কর্মী-সমর্থকরাও প্রচারণা চালান।

এই আসনে ৮৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬৩টিকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১৭ জন করে সদস্য মোতায়েন করা হবে। সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে থাকবেন ১৬ জন করে। এখানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রায় দুই হাজার পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে নানা শঙ্কার কথা প্রকাশ করছেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীরা। তারা নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও একই কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

ঈশ্বরদীতে প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর দুজনই নির্বাচনী পথসভা করে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এছাড়া গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাসের উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আজিজুল তলা ও সলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর পূর্বপাড়া গ্রামে নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর, ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নির্বাচনী মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

ইসি সূত্র জানায়, পাবনা-৪ আসনটি ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া— এই দুই উপজেলা, দু’টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪টি, মোট ভোটার ৩ লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪১৫ জন।

প্রসংগত সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু মারা যাওয়ায় পাবনা-৪ (আটঘরিয়া-ঈশ্বরদী) আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। গত ২ এপ্রিল তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তবে কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে ইসি আরও ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন করতে পারবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবারে সেই পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত যাচ্ছে নির্বাচন।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply