বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ডায়াবেটিস রোগীদের খেতে মানা নেই যেসব ফল

এই মধুমাসে বাজারে হরেক রকমের সুস্বাদু ফলের দেখা মেলে। দেশি-বিদেশি নানা রকমের ফলের সমাহার এখন চারপাশে। আর বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় এই সময় একটু বেশিই ফল খেয়ে থাকে সবাই।

তবে যারা ডায়াবেটিস রোগী তাদের ফল খাবারের বিশেষ কিছু পার্থক্য রয়েছে। কিছু ফল রয়েছে যেগুলো খাওয়া তাদের নিষেধ আবার কিছু ফল আছে যেগুলো অল্প পরিমাণে গ্রহণ করতে পারে। আজকে জেনে নিন ডায়াবেটিস রোগীরা যেসব ফল খেতে পারবেন সে বিষয়ে-

আম
আমের সুবাস এখন সব স্থানেই! চারদিকে আমের গন্ধে ভরপুর। ডায়াবেটিস রোগীরা এ ফলটি খেতে পারবেন যার পরিমাণ ৩০ গ্রাম অর্থাৎ একটি ছোট আমের অর্ধেক।

কাঁঠাল
জাতীয় ফল কাঁঠাল। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও শর্করা সমৃদ্ধ কাঁঠাল ও ডায়াবেটিস রোগী খেতে পারবেন ৫০ গ্রাম অর্থাৎ মাঝারি কোয়া তিনটি।

লিচু
এই ফল খুবই কম সময় থাকে। ডায়াবেটিস রোগীরা এই ফল খেতে পারেন পরিমাণে ৪০ গ্রাম। অর্থাৎ বড় চার থেকে পাঁচটি লিচু।

আনারস
আনারস খেতে পারেন ডায়াবেটিস রোগীরা প্রায় ৬০ গ্রাম।

জাম
জাম ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই ভালো ফল। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের শর্করার পরিমাণ কমায় জাম। জাম মন ভরে খেতে পারেন।

পেয়ারা
কাঁচা পেয়ারাও ইচ্ছে মতো খাওয়া যায়। তবে পাকা পেয়ারা ৬০ গ্রাম খেতে পারেন অর্থাৎ মাঝারি একটি।

পেঁপে
কাঁচা পেঁপে ইচ্ছেমতো খাওয়া গেলেও পাকা পেঁপে ৬০ গ্রাম খেতে হবে।

পাকা কলা
ডায়াবেটিস রোগী পাকা কলা খেতে পারেন ২৫ গ্রাম অর্থাৎ একটি কলার অর্ধেক।

আপেল
ডায়াবেটিস রোগী মাঝারি সাইজের আপেল খেতে পারেন যার ওজন ৪০ গ্রাম।

কমলা
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা ৬০ গ্রাম পর্যন্ত খেতে পারে ডায়াবেটিস রোগীরা।

ডালিম বা বেদানা
বেদানা খেতে পারেন ৪০ গ্রাম বা একটির অর্ধেক।

জামরুল
এই ফল রক্তের চিনির পরিমাণ কমায়। এছাড়া জামরুলে আছে প্রচুর ফাইবার। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বেশ উপকারী।

এসব মৌসুমি ফলের পাশাপাশি আমড়া, আমলকি, টক বরই, টক জাতীয় যে কোনো ফল ডায়াবেটিস রোগী প্রতিদিন খেতে পারবেন।

তবে মৌসুমি ফলগুলো সবগুলোই কিন্তু একদিনে খাওয়া যাবে না। প্রতিদিন এর মধ্যে থেকে একটি করে পরিমাণ অনুযায়ী ফল খেতে হবে।সবটুকু পড়তে ক্লিক করুন

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply