বাংলাদেশ, রবিবার, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, ১২ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলের সীমান্তবর্তী কদম বিলে অতিথি পাখির মেলা

এম ওসমান, বেনাপোল 
সীমান্তবর্তী এলাকার ১ শত ৫০ গজ দুরে ভারতের কাটা তারের বেড়া। এ পারের কদম বিলে পাখির অভয়াশ্রম। যশোরের বেনাপোলের দুর্গাপুর কদম বিলে ঝাকে ঝাকে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির হাজার হাজার দেশী-বিদেশী পাখি। পাখির কল-কাকলীতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সীমান্তবর্তী এলাকা। এমন অপরুপ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে পাখি প্রেমী মানুষ।
বেনাপোল বন্দর শহর থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরে দূর্গাপুর গ্রামে কদম বিল। এ পারের কদম বিলে ৭৫ বিঘা মাছ চাষের জলাশয়ে গড়ে উঠেছে গোলাম মোর্শেদের পাখির অভয়াশ্রম। দূর্গাপুর গ্রামের হাজী গোলাম মোর্শেদের ভেড়ী বাধের জলাশয়ে সরাইল, পানকৌড়ি, ডংকুর পাখির কিচির-মিচিরে মুগ্ধ হচ্ছে পাখি প্রেমী মানুষ। পাখির অভয়ারন্যে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে নারী-শিশুসহ অসংখ্য দর্শনার্থীরা।
প্রতিবছর শীতের সময়  বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি ঝাকে ঝাকে এ অভয়াশ্রমে আসে। এসব অতিথি পাখিদের কেউ যাতে ফাঁদ পেতে ধরতে না পারে তার জন্য এ গ্রামের মানুষ পাহারা দিয়ে থাকে। শার্শা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকেও অতিথি পাখিদের তদারকি করা হয়। গ্রাম ও শহর থেকে আসছে মানুষ অতিথি পাখির অভয় আশ্রমে-প্রকৃতির দৃশ্য ও পাখি দেখতে। সন্ধ্যার আগেই আসে হাজার হাজার পাখি, সকালে খাদ্যের সন্ধানে বের হয়। পাখির এ অভয়াশ্রম রক্ষায় গ্রামবাসি কাজ করছেন। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় ভোগান্তির স্বীকার হতে হয় পাখি প্রেমী মানুষের। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় বিষয়টি সুরাহার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে  বলে জানান হাজী গোলাম মোর্শেদ।
উপজেলা প্রানী সম্পদ সম্প্রসারন কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন বলেন, শীত আসলে বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথি পাখি আমাদের দেশে আসে। শার্শা  উপজেলায় কয়েকটি অতিথি পাখির অভয়াশ্রম গড়ে উঠেছে। তবে উপজেলায় অনেক স্থানে পাখি শিকারীরা ফাঁদ ও ইয়ারগান দিয়ে করছেন পাখি শিকার। ফলে পরিবেশে বিরুপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। তবে কদম বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় পাখি সংরক্ষনে কাজ করছেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply