বাংলাদেশ, শনিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠছে কৃষক-কৃষাণিরা

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নবান্ন উৎসবে মেতে উঠছে কৃষক-কৃষাণিরা। শুরু হয়ে গেছে ইরি বোর ধানের কাটা মাড়াই। প্রচন্ড তাপদহে মাথার ঘাম গামছা ও শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছে ফেলে ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক-কৃষাণিসহ পরিবারের সদস্যরা। দিন মজুর সংকট ও কালবৈশাখী ঝড় হাওয়ার সম্ভাবনায় হতাশাগ্রস্থ এবং নিঘুর্ম রাত কাটাচ্ছে কৃষকরা। বিশেষ করে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে পুরাদমে কাটামাড়াই শুরু হওয়ায় দিন মজুর সংকটের আশঙ্কা করছে কৃষক-কৃষাণিরা। তারপরও বুক ভরা আশা নিয়ে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কৃষকরা স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শুরু করেছে কাটামাড়াই। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে চলতি মৌসুমে ইরি বোর ধানের ফলন ভাল হয়েছে। কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। কথা হয় শান্তিরাম ইউনিয়নের কৃষক তারা মিয়ার সাথে। চলতি মৌসুমে তিনি ৫ বিঘা জমিতে ইরিবোর ধানের চাষাবাদ করেছেন। ইতিমধ্যে ১ বিঘা জমির ধান কাটামাড়াই করেছে। ধানের জাত ছিল ব্রি-২৮। তিনি বলেন, ১ বিঘা জমিতে তার ফলন হয়েছে ১৮ মন। ধান কাটামারাইসহ ১ বিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে ৮ হতে ৯ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৬০০ হতে ৬৫০ টাকায়। এতে করে দেখা গেছে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ বাদে লাভ হচ্ছে ১ হতে ২ হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে ইরিবোর ধানের চাষাবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় কম। কৃষকরা এখন ধানের চেয়ে রবি ফসলের চাষাবাদে ঝুকে পড়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা একেএম ফরিদুল হক জানান, চলতি ইরিবোর মৌসুমে ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। কৃষকরা এখন ধান চাষাবাদের পাশাপাশি অন্যান্য ফসল চাষাবাদে ঝুকে পড়েছে।

আরো খবর

Leave a Reply