বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ১৭ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

রাঙ্গুনিয়ায় স্কুলে বৈশাখী পিঠা উৎসব

 

জাহেদুর রহমান সোহাগ,রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি

কথায় বলে পৌষ পার্বণের পিঠা উৎসব। এ উৎসব একান্তভাবেই বাঙালির উৎসব। শীত-গ্রীষ্মের সকালগুলো মুখর ও আনন্দময় হয়ে ওঠে নানা রকম পিঠার অনন্য স্বাদে। কিন্তু বর্তমানে নানা ধরণের ফাস্ট ফুডের জোয়ারে আমরা গ্রাম বাংলার পিঠার কথা ভুলতেই বসেছি। সে বিস্মৃতপ্রায় ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে দেশে এখন নানা ধরনের পিঠা উৎসব হয়। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়া সোনারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে গেল বৈশাখীর পিঠা উৎসব।

১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসবে ছিল দর্শকদের উপচে পড়া ভীড়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ উদ্যোগে এই জমকালো অনুষ্ঠান সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় বিচারক ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন , সহকারী প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার দেওয়ানজি, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমান তালুকদার ।

অভিভাবকরা জানান ; পিঠা উৎসবের চমৎকার আয়োজনে শিক্ষার্থীরা আগ্রহ দেখে আমদের আনন্দ হচ্চে । তথ্য-প্রযুক্তির এই সময়ে এসে তারা বিভিন্ন রকমের পিঠা তৈরি জানে এাঁ আমাদের গর্বের।

পিঠা উৎসবে প্রাক্তন ও নবাগত ছাত্রছাত্রীদের মিলনমেলার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। ছোট বেলার পিঠাপুলির কথা স্মরণ করেন শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১০টায়। সাজানো হয়েছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী আদি পরিচয়বহনকারী ডালা, কুলা ও মাটির হাঁড়ি দিয়ে। স্কুল প্রাঙ্গণে দর্শকদের ছিল উপচে পড়া ভীড়।স্টলে স্টলে বিচারকরা ঘুরে ঘুরে দেখেন নানা রকম পিঠার কারুকাজ।

পরে বিচারকরা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের নাম ঘোষণা করেন।বিচারকরা এই পিঠা উৎসবের নানা দিক নিয়ে প্রশ্ন করেন। জানতে চান পিঠার নাম, তৈরির রেসিপি।

উল্লেখযোগ্য পিঠার মধ্যে ছিল দুধপুলি, দুধ চিতই, ক্ষীর পুলি, পাটিসাপটা, ভাঁপা পিঠা ম্যারা পিঠা, ডিমসুন্দরী, নকশী পিঠা, পাকন পিঠা, শীম ফুল, রংবিলাতি, বিস্কুট পিঠা, কুলি পিঠা, ঝাল পিঠা, সবজি পিঠা, বিবিখানা পিঠা, মুগপাকন, ডাল পিঠা, পাতা পিঠা, বল পিঠা, ছোট পান পিঠা, জাল পিঠা, সুজি পিঠা, নারিকেল পুলি পিঠা, সাজ পিঠা, ডিমসুন্দরী পিঠা ও দুই তিন স্টলে বিরানি ।

আরো খবর

Leave a Reply