চিকেন পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। ভাত, রুটি কিংবা সালাদের সঙ্গেই চিকেনের নানা পদ কেয়ে থাকেন। আবার অনেকেই প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে নিয়মিত চিকেন খান। তবে চিকেন পুষ্টিকর খাবার হলেও পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি। শুধু বেশি প্রোটিনের আশায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিকেন খাওয়া কখনো ঠিক না।

পুষ্টিকর চিকেন

চিকেন মূলত উচ্চমানের প্রোটিনের ভালো উৎস। শরীরের পেশি, কোষ ও বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রমের জন্য প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি চিকেনে ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানও পাওয়া যায়। তবে চিকেন কতটা স্বাস্থ্যকর হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে কোন অংশ খাচ্ছেন, কী পরিমাণ খাচ্ছেন এবং কীভাবে রান্না করছেন তার ওপর। চামড়াসহ চিকেন বা অতিরিক্ত তেল দিয়ে ভাজা ও রান্না করা পদে ক্যালোরি ও চর্বির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

দিনে কতটুকু চিকেন খাওয়া যায়

একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য দিনে কতটা চিকেন প্রয়োজন, তা সবার ক্ষেত্রে এক নয়। বয়স, শারীরিক গঠন, দৈনন্দিন কাজের ধরন, মোট খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের প্রোটিনের চাহিদার ওপর পরিমাণ নির্ভর করে।

সাধারণভাবে খাবারের অংশ হিসেবে দিনে প্রায় ১৫০-২০০ গ্রাম রান্না করা চিকেন খেতে পারেন। তবে যারা নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তারা দিনে ২৫০-৩০০ গ্রাম পর্যন্ত চিকেন খেতে পারেন।তবে শুধু বেশি চিকেন খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে-এমন নয়।

তাই দিনে একাধিক বেলায় চিকেন খেলে মোট পরিমাণের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, ডাল, দুধ বা অন্যান্য প্রোটিনের উৎসও রয়েছে কি না, সেটি বিবেচনা করা উচিত।

যেভাবে চিকেন খেলে বেশি উপকারী

চিকেন খাওয়ার ক্ষেত্রে রান্নার পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে কিংবা খাদ্যতালিকায় ক্যালোরি ও অতিরিক্ত চর্বি কম রাখতে চাইলে অতিরিক্ত তেল, মাখন বা ক্রিম দিয়ে তৈরি চিকেনের বদলে গ্রিল, স্টিম, বেক বা কম তেলে রান্না করা পদ বেছে নিতে পারেন।

চিকেনের সঙ্গে বিভিন্ন সবজি যোগ স্টু করতে পারেন। কিংবা চিকেন বা কম তেলে রান্না করা চিকেনের পদে একই সঙ্গে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়।

শেয়ার করুনঃ