আমোদ ফুর্তি করতে গিয়ে নতুন নতুন খদ্দেরেরা সর্বস্ব হারিয়েও নিরব থাকছে ওরা। মহিলা ও পুরুষ উভয়ে এই ফাঁদে পড়ছে। চকবাজারের কাঁচাবাজারের অদুরে ইমামগঞ্জ আবাসিক হোটেল নামক পতিতালয়ে এসব ঘটনা ঘটছে।এই আবাসিকে ইয়াবা বেচাবিক্রি ও জুয়ার আসরও বসে নিয়মিত।

স্হানীয় কতিপয় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারী পাতি কিশোর গ্যাং নেতা, চকবাজার থানা পুলিশের জনৈক ক্যাশিয়ার, ‘দ’ ও ‘সি’ আধ্যক্ষরের দুই দলের দুই নেতাও এখান থেকে চাঁদা পেয়ে থাকে।ফটিকছড়ির জাত পতিতা ব্যবসায়ী ও ইয়াবা পাচারকারী মুহাম্মদ হোসেন এই আবাসিক হোটেলের সকল দুই নম্বরী কাজের পরিচালক।সেই দীর্ঘদিন ধরে এসব অপকর্মের সাথে জড়িত বলে প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, এই হোটেলে একদিন অবস্হান করলে কিংবা নীচে সিড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ অনুসন্ধান চালালে এসব বিষয় জানা যাবে। উঠতি বয়সের বিপদগামী তরুণ-তরুণীরা হরখামেশা এখানেই খদ্দের হিসেবে আসে। নতুন নতুন খদ্দেরেরা সর্বস্ব হারিয়েও নিরবে কেদেঁ কেঁদে চলে যায়।লজ্জা শরমের ভয়ে কেউ মুখও খোলে না।এখানে রয়েছে কতিপয় দালাল।এই দালালের ইংগিতে সর্বস্ব কেড়ে নেয় কিশোর গ্যাং।কেউ টু শব্দ করলে ইয়াবা দিয়ে পুলিশে দেবে হুমকি দেয় ওই গ্যাং।

সুত্রমতে, এই আবাসিক হোটেলের আশেপাশে কর্পোরেট অফিসের লোকজন সবসময় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে।পুলিশ সব জেনেও কোন ব্যবস্হা নেয় না অভিযোগ এখানকার সাধারণ মানুষের।কাঁচাবাজারের মুখে রবি কাস্টমার কেয়ারের উপরে ইমামগঞ্জ নামে একটি আবাসিক হোটেল (পূর্বের আনিশা হোটেল) আছে। রমরমা জুয়ার আসরসহ পতিতাবৃত্তি ও মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত ভবনটি। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অনেকে গ্রেপ্তার হলেও বরাবর ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল হোতা। জানা গেছে, ভবনটি ভাড়ায় নিয়ে দীর্ঘদিন এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে একটি চক্র। চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তাদের উচ্ছেদ করতে পারছে না মালিকপক্ষ।

এই বিষয়ে মুহাম্মদ হোসেনের সাথে এই রিপোর্ট লেখাকালীন সময়ে ফোনে কথা বললে তিনি বলেন থানা পুলিশসহ সবার সাথে সম্পর্ক রেখে আমরা এসব কাজ করি।আপনিও আমাদের অফিসে আসিয়েন। হোটেলে গিয়ে আমি ম্যানেজারের সাথে কথা বলিয়ে দেবো।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ