মাননীয়,

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী প্রযুক্তিবীদ মোস্তাফা জব্বার সমীপে,

শ্রদ্ধেয় মোস্তাফা জব্বার ভাইজানরে,

গরম গরম কথার শুরুতে আমার লাখ কোটি সালাম জানিবেন।আশা করি, আল্লাহ মালিকের অপার মহিমায় ভালো থাকিয়া ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ভিশন ও মিশন কায়েমের লক্ষ্যে নানান ফর্মূলা তৈরী ও বাস্তবায়ন করিয়া মহা- সুখেই আছেন। আমিও গ্রাম বাংলার এক মফস্বল শহরে থাকিয়া দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবিয়া ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো খাইয়া না খাইয়া বাঁচিয়া আছি। গেল বারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্ঠা সজীব ওয়াজেদ জয় সমীপে ঠাণ্ডা মিয়ার গরম কথা  লিখিবার সময় এইবার আপনার সমীপে লিখিব বলিয়াছিলাম, এইজন্য লিখিতেছি বলিয়া রাগ করিবেন না বরং শত ব্যস্ততার মধ্যেও গরম কথাটুকু পড়িয়া দেখিবেন ও যাহা প্রয়োজন তাহা করিবেন আর ভুল হইলে নিজ গুনে মাফও করিয়া দিবেন।

ভাইজানরে,

শুনিয়াছি,  মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিনামূল্যে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড এর ল্যান্ড ফোন সংযোগ দিবেন। ২২ অক্টোম্বর  থেকে আগামী ২০২০ সাল পর্যন্ত এই সেবা কার্যকর থাকিবে।ইহা ছাড়াও বিটিসিএল-এর ল্যান্ড ফোনের মাসিক লাইন রেন্ট ১৮০ টাকা ইতোপূর্বে তুলিয়া দিয়া গ্রাহকের মনের কাজটি করিয়াছেন। ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন সেবা ‘নগদ’ স্মারক ডাক টিকেট, টেলিটকের উদ্যোগে আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ‘আইএসবিএন ও বারকোড’ সেবা ও ওয়েবভিত্তিক অনলাইনকরণ, টেলিটকের টেলি পে সেবা, এবং টেসিস এর নতুন পণ্য ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্বোধন সত্যিই আপনার মন্ত্রণালয়ের যুগান্তকারী পদক্ষেপ। 

ভাইজানরে

আপনি হইলেন, এইদেশের হাতে গুণা কয়েকজন জাতীয় ব্যাক্তিদের অন্যতম। আপনাকে আর কেউ চিনুক আর না চিনুক বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা ঠিকই  চিনিতে পারিয়াছেন।তাই টেকনোক্রেট তালিকায় আপনাকে ডাক টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী করিয়া মর্যদা দিয়াছেন।কেউ কেউ বলিতেছেন, তথ্য প্রযুক্তি কিংবা আপনাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিলে দেশবাসী আরো বেশী উপকৃত হইত।একই লোকেরা এমনো বলিতেছে, টেলি যোগযোগ মন্ত্রণালয়ে গতি আনিবার পর আপনার মেধা দেশবাসীর জন্য কাজে লাগাইবার জন্য সঠিক সিদ্ধান্তও নিবেন।

ভাইজানরে,

আপনার দৃষ্টিতে যাহারা ডিজিটাল বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার ভিশন কায়েমের স্বেচ্ছাবেবক তাহারা এখন নাখোশ হইয়া আছে।দীর্ঘ ৮/ ১০ ধরিয়া নিউজ পোর্টাল প্রকাশে ভর্তকি দিয়া আসিলেও এখনো  নিবন্ধনও পায় নাই।আবার এদিকে গোটা দেশে গুজব রটিয়াছে নিবন্ধন পাইতে হইলে সরকারকে একটা ফি দিতে হইবে।কিন্তু প্রশ্ন হইল দেশের জাতীয় ও স্হানীয় পত্রিকা প্রকাশে যদি ফি না লাগে তাহা হইলে অনলাইন নিউজ পোর্টাল সম্প্রচারে কেন ফি লাগিবে ?  বিষয়টি আপনি যতটুকু জানেন, ভাবেন ও বুঝেন তাহা আর কাহারও বেলায় ভাবাও যায় না। এই বিষয়গুলো দেশ জাতি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাথায় দিবেন।সারাদেশের মধ্যে মিডিয়বান্ধব ব্যাক্তি আপনি। আপনি একসময় সংবাদ সংস্হা আবাস ও সাপ্তাহিক নিপূণ পত্রিকা সম্পাদনা করিতেন। ছিলেন সাংবাদিক ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতাও।অনলাইন সাংবাদিক ও নিউজ পোর্টাল মালিক সম্পাদকদের প্রিয় অভিভাবক আপনি । নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনে আপনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়া ও বাস্তবায়ণ করিয়া দেশটিকে আরো আগাইয়া নিবেন বলিয়া দেশবাসী আপনার উপর আস্হা রাখিয়াছে।

আজ আর না। আপনার মঙ্গল ও সুস্বাস্হ্য কামনায় । ইতি আপনারই গ্রাম বাংলা অখ্যাত ঠাণ্ডা মিয়া

গ্রন্হনা ম. আ. হ

তারিখ ২ নভেম্বর ২০১৯

আগামী সংখ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠান্ডা মিয়ার গরম কথা (২২০) সম্প্রচার করা হইবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ