প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে ভোটারদের ভোটাধিকারের কবর রচিত হবে। তার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ মানেই তা হবে স্বেচ্ছায় গণতন্ত্রের মৃত্যু ডেকে আনা। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বিএনপি।নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। আর গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত সারবস্তু হচ্ছে- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। কিন্তু আওয়ামী লীগের সময় কাটে বিরোধীদের প্রতি বিদ্বেষ প্রদর্শন করে, অবিরাম কুৎসিত অসংযমী বাক্যবিলাসে। সন্ত্রাসের পরিচর্যা ও বিস্তার আওয়ামী লীগের চারিত্র্যধর্ম।বিএনপির এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস একটি ‘ক্রাইম স্টোরি’ ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু বিরোধী দলই নয়, সরকারবিরোধী সমালোচনায় দলনিরপেক্ষ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিপাকে ফেলার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে।’নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিতের জন্য আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের জননন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে বন্দি করে রাখা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েই তারা ক্ষান্ত হয়নি। এখন চলছে প্রতিবাদী বিশিষ্টজনদের ওপর স্টিমরোলার।
‘সরকারের পক্ষে কোনো জনমত নেই বলেই ভোটারবিহীন সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বন্দুকের জোরে আদালতকে কব্জায় নিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করা হয়েছে। তারেক রহমানকে দণ্ড দেয়া হয়েছে।
রিজভী বলেন, ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে গ্রেফতারের পরও হয়রানি ও নির্যাতনের তীব্রতা হ্রাস পায়নি। এখন চলছে প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ওপর হানাদারি আক্রমণ।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের জানমালের ওপর চলছে সরকারি ক্যাডারদের বেপরোয়া আগ্রাসন। তার গড়া প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি জনগণের। তার পরও এই প্রতিষ্ঠানের জায়গা-জমি দখল করতে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে দলীয় মাস্তানদের।
‘বিনা অপরাধে র্যাবের গুলিতে পা হারানো গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লিমনের ওপর আওয়ামী ক্যাডারদের কাপুরুষোচিত শারীরিক আক্রমণে ভেঙে ফেলা হয়েছে তার হাত-পা।’
রিজভী বলেন, সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছিতকারীদের এখনও আইনের আওতায় আনা হয়নি। বরং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থানায় একাধিকবার মামলা করতে যাওয়া হলেও মামলা নেয়া হয়নি।



