চট্টগ্রামে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে অন্তত ১০ নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। আজ সোমবার দুপুরে নগরীরর রিমা কমিউনিটি সেন্টারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মহিবুল হাসান নওফেল।
চট্টগ্রামের ১৪টি কমিউনিটি হলে একযোগে কুলখানী উপলক্ষে মেজবানের আয়োজন করে চৌধুরী পরিবার।রিমা কমিউনিটি সেন্টার শুধুমাত্র হিন্দু বৌদ্ধ ও খৃীষ্ঠানদের নির্ধারিত ঘোষনা করেন আয়োজনকারীরা।চট্টগ্রাম জুড়ে এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
চট্টগ্রামের ১৪টি কমিউনিটি হলে একযোগে কুলখানী উপলক্ষে মেজবানের আয়োজন করে চৌধুরী পরিবার।রিমা কমিউনিটি সেন্টার শুধুমাত্র হিন্দু বৌদ্ধ ও খৃীষ্ঠানদের নির্ধারিত ঘোষনা করেন আয়োজনকারীরা।চট্টগ্রাম জুড়ে এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ঠেলাঠেলিে গ্লাস ভেঙ্গে গেছে বাকলিয়া কে বি কনভেশন হলে। ওই গ্লাসে আহত হয়ে কয়েকজন রক্তার্ত হয়েছেন। ১২টা থেকে এখানে সুষ্ঠুভাবে মেজবানে খানাপিনা চললেও দুপুরের দিকে মানুষের চাপ বাড়ে।
পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেকে পড়ে গেছেন, মানুষের ভিড়ের কারণে অনেকে পদদলিত হয়েছেন। তাদেকে আমরা হাসপাতালে নিয়েছি, সেখানে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।’
চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। প্রায় ১৬ বছর চট্টগ্রামের মেয়রের দায়িত্ব পালন করা এ রাজনীতিবিদ স্থানীয়ভাবে ছিলেন দারুণ জনপ্রিয়।



