১৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সারাদিনব্যাপী ঢাকা থেকে আগত ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান বঙ্গদীপ এম.এ. ভাসানী কুতুপালং, উখিয়া ও টেকনাফের শরনার্থী শিবির পরিদর্শন করেন ও ওদের মাঝে চাল, ডাল ও শুকনো জাতীয় খাবার বিতরণ করেন। এছাড়া গত ১৮ সেপ্টেম্বর লালদিঘীর মোড়ে তিনি সমাবেশ করে রোহিঙ্গাদের আবাস ভুমিতে নাগরিক অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে নেওয়ার স্বপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার আহবান করেন। শররার্থী শিবির ছাড়াও রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ লাইনের সারি দেখে তিনি তাদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এখানে যে ত্রাণ কার্য নিয়ে বিশৃঙ্খলা ও অনিয়ম হচ্ছে তাহা সুষ্ঠুভাবে সবার মাঝে বিতরণের জন্য সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানোর দাবী করেন। তিনি আরো বলেন এখানে প্রচুর নোঙরখানা তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন তৈরি করতে হবে ব্যাপক সেনিট্যাশন এবং বিশুদ্ধ পানির জন্য হাজার হাজার টিউবওয়েল স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মাঝ থেকে পুরুষ এবং মহিলাদের বুলেনটিয়ার তৈরি করে নিয়মশৃঙ্খলায় আনতে হবে এবং সবার রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে কেউ যাতে বাদ না পড়ে। পাশাপাশি এ পর্যন্ত কতজন নিরীহ জনসাধারণকে বেসামরিক জনত্যা হত্যা করছে তাদের বিচারসহ জাতিসংঘের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্তের উপরও জোর দেন। তিনি আরো বলেন রোহিঙ্গাদের পাশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে আশ্বাস বাণী প্রদান করেছেন তাহা বাস্তবায়নের জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর এ জাতিসংঘের অধিবেশনে উপস্থাপন করার জন্য অনুরোধ করেন। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যাতে নাগরিক অধিকার, ভোটের অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক অধিকার নিয়ে নিজ ভিটাভুমিতে ফিরে যেতে পারে এই ব্যাপারে বিশ্বনেত্রী, তৃতীয় বিশ্বের নেত্রী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হাল ধরতে হবে। কারণ তারা শুধু আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ নন, বাংলা ভাষা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও সর্বোপরি মুসলমাান। এই ব্যাপারে মুসলিম বিশ্বকে আরো সোচ্চার হয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান। উক্ত কার্যক্রমে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার রেদোয়ান সিকদার, ডাঃ এ.কে.এম. হাফিজুর রহমান, আবু খোবায়রা আবু, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ মহিউদ্দীন, মোঃ শামসুল আলম, বাশার শরীফ প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ