বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ১৮ই মার্চ, ২০১৯ ইং, ৫ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

কুতুবদিয়ায় মালেক শাহ হুজুরের ১৭ তম বার্ষিক ওরশ ও ফাতেহা শুরু

শেয়ার করুন
0Shares

উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক প্রাণপুরুষ গাউসে মোখতার হযরতুল আল্লামা শাহ আব্দুল মালেক আল-কুতুবী (রহ:)’র ১৭ তম বার্ষিক ওরশ ও ফাতেহা শরীফ ১৯ ফেব্রুয়ারী কুতুবদিয়ার কুতুব শরীফ দরবারে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও দেশ-বিদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লক্ষ লক্ষ আশেক, ভক্ত ও অনুরক্তদের মহামিলন ঘটবে ।

কুতুব শরীফ দরবার প্রেস এন্ড মিডিয়া উইং এর সচিব এহসান আল-কুতুবী জানান , ওরশ ও ফাতেহা উপলক্ষে দরবারের বিভিন্ন থানা ভিত্তিক প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ ও অন্যান্য কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে । ১৯ ফেব্র“য়ারী (রবিবার) মূল দিবস হলেও ১৭ ফেব্র“য়ারী ( শুক্রবার ) হিফজুল কোরআন প্রতিযোগীতার মধ্যদিয়ে ৩ দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের সূচনা হয় । ১৮ ফেব্রুয়ারী ( শনিবার ) ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা, ওয়াজ মাহফিল, মোশায়েরা মাহফিল, স্মৃতি চারন, হামদ-নাত ও বাবাজান কেবলার শানে খ্যাতনামা ইসলামী সংগীত শিল্পীরা বিভিন্ন গজল পরিবেশন করবে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারী মূল দিবস সকাল ৮টা থেকে সারাদিন বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে গভীর রাতে দরবার পরিচালকের সমাপনী ভাষন ও আখেরী মুনাজাতের মধ্যদিয়ে মাহফিলের ৩দিনব্যাপি কর্মসূচী সম্পন্ন হবে । এ ছাড়াও দরবারের বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন, পুলিশ, আনসার সহ সরকারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন আগত ভক্তবৃন্দের সেবাই ও সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে নিয়োজিত থাকবে ।

দরবারের পরিচালক শাহজাদা শেখ ফরিদ আল-কুতুবী জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত ভক্ত-অনুরক্ত ও আশেকানদের আসা-যাওয়া, থাকা-খাওয়া, ইবাদাত বন্দেগীতে যাতে কোন ধরনের সদস্যা না হয় সে ব্যাপারে দরবারের সেচ্ছাসেবকরা সর্বদা নিয়োজিত থাকবে ।

তিনি আরো জানান, জাতি,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে লাখো লাখো ভক্ত, অনুরক্ত এ অনুষ্টানে অংশ গ্রহন করবে। শুধুমাত্র মহিলাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাদেরকে ১৭,১৮,১৯ ফেব্র“য়ারী দরবারে না আসার অনুরোধ জানান তিনি।

দরবারের মহাসচিব মুহাম্মদ শরীফ (এম কম) জানান, ওরশ ও ফাতেহা শরীফ উপলক্ষ্যে দীর্ঘ অর্ধ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্যান্ডেল নির্মাণ সহ বিভিন্ন আয়োজন শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাবাজান কেবলার ফাতিহায় যারা আসবে তারা আমাদের মেহমান। তাদের যাতে কোন প্রকারের বিড়ম্বনা বা হয়রানীর শিকার হতে না হয় সে ব্যাপারে প্রশাসন ও আমরা প্রস্তুত। ওয়াজ মাহফিল শ্রবনের প্যান্ডেল,ভক্তবৃন্দের থাকা-খাওয়া, রান্না-বান্নার প্যান্ডেল, উট,গরু,ছাগল,মহিষ জবাহের প্যান্ডেল সহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আলাদা খাবারের প্যান্ডেল নির্মান করা হয়েছে । তিনি ওরশ ও ফাতেহা শরীফ সফল করতে সবার সহযোগীতা কামনা করেছেন ।

শেয়ার করুন
0Shares

আরো খবর

Leave a Reply