বাংলাদেশ, বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লেখক সাংবাদিক দীপক চৌধুরীর অভিমত : কৃষকের ঘরে বোরো ধান তোলার মতো মাছের চাষেও ডিসিদের পদক্ষেপ নিতে হবে

আল-হেলাল,সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের পঞ্চরত্ন বাউলের মধ্যমণি গানের সম্রাট বাউল কামাল পাশা (কামাল উদ্দিন)
যেমন ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে “দেশে আইলো নতুন পানি
ঘুচে গেল পেরেশানী/মাছের বাড়লো আমদানী দু:খ নাইরে আর” শীরোনামের ৫৪ লাইনের
একটি গান রচনা ও পরিবেশন করে রোমান্টিক অর্থে স্বাধীনতা স্বায়ত্বশাসণের জয়গান
গেয়ে গেছেন তেমনি মাছ চাষের দ্বারা মানুষের জীবন জীবিকার পাশাপাশি
অর্থনৈতিক মুক্তির পরামর্শ দিয়ে লেখনী ধারনের মাধ্যমে দেশবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ
করেছেন একজন সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ,প্রাবন্ধিক ও একাধিক গ্রন্থ প্রনেতা। নাম
তার দীপক চৌধুরী যিনি পেশায় একজন সার্বক্ষনিক সাংবাদিক। সুনামগঞ্জ-২
নির্বাচনী এলাকা দিরাই-শাল্লা ছাড়াও সারা দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত এই
বিচক্ষণ সাংবাদিক বলেন, “করোনার কারণে আমাদের জীবন ও জীবিকার ওপরে নানাভাবে
আঘাত এসেছে, ধাক্কা এসেছে। দেশে দারিদ্র্যসীমার জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিবেশে
কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও আমাদের আতঙ্ক করোনা নিয়ে। অবশ্য করোনা
গোটাবিশ্বেকে তছনছ করে চলছে। আমরা যত কথাই বলি না কেন, সামনের দিনগুলোতে
স্বাস্থ্য-পরিবেশ সুরক্ষাকে অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে হবে। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের
চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে জীবন ও
জীবিকাকে মুখোমুখি করা হয়েছে। কিন্তু এই দুটি বিষয়কে মুখোমুখি না করে
সমান্তরাল হিসেবে দেখতে হবে। জীবনকে না বাঁচালে জীবিকা হবে না। দুটিকেই
আমরা কীভাবে দক্ষভাবে করতে পারি, তা খেয়াল রাখতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিভিত্তিক
উন্নয়নকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে এগোতে হবে।’করোনার মধ্যেও আওয়ামী লীগ নেতা ও
কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাকের পরিশ্রম দেখেছি। কৃষকের ঘরে বোরোধান তুলে দেওয়ার
সময় সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন
জেলায় জেলা প্রশাসনের অভূতপূর্ব ইতিবাচক ভূমিকা দেখেছি। সম্ভবত এ কারণে
আমাদের কৃষিভিত মজবুতও হয়েছে। আরো স্বস্তির যে, এখন আমাদের রিজার্ভ ৩৪
বিলিয়ন ডলারের বেশি ”। ৭ জুন রোববার  বাংলাপোস্টবিডি.কম ও সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেইসবুকে এমন অভিমত প্রকাশ করেছেন দেশের খ্যাতিমান
সাংবাদিক,রাজনৈতিক বিশ্লেষক,কলাম লেখক ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার উপ-
সম্পাদক দীপক চৌধুরী।
ভাটির জনপদের এই কৃতি সন্তান বলেন,আমরা মনে করি, আগামী ২০২১ অর্থবছরের
বাজেটে পাঁচটি খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে। এগুলো হচ্ছে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা,
কৃষি সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ, শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। করোনায় আমাদের
সবকিছু নিজে করে খেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায়ই বলে থাকেন, বাড়ির
এতোটুক জায়গা যেন অকারণে পড়ে না থাকে। বাজেটকে দিকনির্দেশনা দিতে হবে
আগামী বছরগুলোতে কীভাবে অর্থায়ন এবং সম্পদ সঞ্চালন করতে হবে। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়
‘আম্পান’ আঘাত হানার পর থেকে ঝড়-বৃষ্টি লেগেই আছে। এবার বর্ষাকাল তার
আগমনী বার্তা দিচ্ছে আগেভাগেই। প্রকৃতি বর্ষার সাজে সেজেছে। প্রতিদিন
একাধিক বার ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গেল বছরের তুলনায় কিছুটা আগেভাগে এলেও বর্ষায়
স্বাভাবিক বৃষ্টির সম্ভাবনাই বেশি থাকবে। তেমনটি হলে জুন মাসে সর্বোচ্চ
সিলেটে ৬৫০ মিলিমিটার। জুন মাসে অর্ধেকের বেশি দিনই বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।
সিলেট বিভাগে এ জুনে ২০ থেকে ২৬ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা। এবার প্রচুর বৃষ্টি
ঝরানোর মধ্য দিয়ে কিন্তু বর্ষার আগমনী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং বৃষ্টিতে
স্বাদুপানির মাছ দ্রুত বাড়তে পারে। মুক্ত জলাশয়গুলোর দিকে মাছ চোরা শিকারীদের এ সময়

চোখ থাকে। কারণ, মা-মাছ তখনই ডিম ছাড়ে। আর অতি সহজে ধরাও পড়ে। লুকোতে
পারে না, দৌড়াতে পারে কম।
ব্র্যাকের হিসেবে করোনা ভাইরাসের কারণে সারাদেশের কৃষকের ক্ষতি হয়েছে ৫৬ হাজার
৫৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এসব কৃষকের ৯৫ শতাংই এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি
কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। খাতভিত্তিক হিসাব করলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ
মাছ চাষিরা।
টানা দু’মাসের ছুটিতে দেশের কৃষকদের পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধ থাকা এবং দেশের
খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে ব্র্যাকের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গত ৪ জুন
ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানানো হয়। করোনা ভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে
ওঠার জন্য সরকার কৃষকদের যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে তা কৃষকবান্ধব,
কৃষকের উৎপাদিত পণ্য সরকার কিনে ওএমএস এর মাধ্যমে বিক্রি ও ত্রাণ হিসেবে বিতরণ
করা জরুরি। খোঁজ নিয়ে দেখেছি, খাতওয়ারি হিসাব করলে মাছচাষিদের ক্ষতি হয়েছে
সবচেয়ে বেশি। মাছচাষিদের ১০০ শতাংশই কোনো না কোনো সমস্যায় পড়েছেন।
পোল্ট্রিপণ্যের দাম কমেছে ৪৪ শতাংশ।
২০২২-এ শীর্ষ মাছ উৎপাদনকারী হবে বাংলাদেশ এমন আশা আছে আমাদের। সুনামগঞ্জের
দিরাইয়ের ‘মাছরাঙ্গা ফিসারীজ’ এর এক সদস্য জানান, করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর
সীমাহীন ক্ষতি হয়েছে তাদের। কারণ, মাছ যথারীতি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। করোনার
কারণে পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়ে। ভয়াবহ ব্যধিতে আক্রান্ত হবার আশঙ্কায় মৎস্যশ্রমিকরা
কাজ বন্ধ করে দেন। ফলে মাছ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এসব নানাবিধ কারণে বিপুল
অর্থক্ষতির মুখে পড়তে হয়। শুধু একটি মৎস্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয় এমন সংখ্যা অনেক।
চমকে দেওয়ার মতো তথ্য, স্বাদুপানির মাছ চাষে নীরব বিপ্লব ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা সরকারের আমলে। কিন্তু এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রশাসনের
তৃণমূলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াই হয় না। জেলা প্রশাসকের নজরে এলে হয়ত
আইনানুগ ব্যবস্থা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ
এ ব্যাপারে সাংঘাতিক সতর্ক। সুনামগঞ্জের বিশাম্বরপুর উপজেলাসহ কয়েকটি
উপজেলায় মা-মাছ ও মাছের পোনা নিধনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যা এর আগে কোনো প্রশাসকই এমন ব্যবস্থা নেননি। তবে এবারও কিন্তু জেলার সর্বত্র এ
ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মে-জুন-জুলাই মাস মা-মাছের ডিম ও পোনা ছাড়ার সময়। এ
সময়ে যে ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া জরুরি তা করা হয় না উপরন্তু সে সময়
একশ্রেণির উপজেলা মৎস্য অফিসারেরা ছুটিতে থাকেন, দায়িত্বহীন আচরণ করেন নতুবা
অবহেলায় আক্রান্ত হন। সুতরাং এবার যেহেতু সবকিছুই ব্যতিক্রম সে কারণে, কৃষকের
ঘরে বোরোধান তুলে দেওয়ার মতো ভীষণ সচেতনও দায়িত্বশীল হতে হবে সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তাদের। সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ হাওরে নিজে নেমে গেছেন,
কৃষকের অবস্থা সরেজমিনে দেখেছেন। সুতরাং বোরোধানের মতো মাছকে রক্ষা করতে
হবে। চোরা মৎস্যশিকারীরা যাতে স্থানীয় ‘কোনা’ জাল নিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে হাওরে
নামতে না পারে- এটা খেয়াল করতেই হবে। তা না হলে সরকারের সকল ভাল উদ্দেশ্য নস্যাৎ হবে।
বদ্ধ জলাশয়ের গুরুত্ব হয়তো অনেকেই জানে না। মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন
বিশ্বে তৃতীয়।
মাছ উৎপাদনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকার যেসব প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, সেগুলো
বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২০-২১ সাল নাগাদ ৪৫ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন
সম্ভব হবে। ‘ভাতে-মাছে বাঙালি’ মানে মাছ আমাদের জাতিসত্তার অংশ। বিবিএসের
সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী, দেশে গড়ে মাছের বার্ষিক উৎপাদন সাড়ে ৩৫ লাখ
টন।
গত অর্থবছর মৎস্য সপ্তাহের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, মাছ চাষে গড়ব দেশ/বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।
একদিকে যেমন কোস্টালগার্ড, নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের তৎপরতায় জাটকা মাছ নিধনের
বেলায় মানুষ সচেতন হচ্ছে, অন্যদিকে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্র দিন দিন উন্নীত হচ্ছে এদেশ।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মাথাপিছু ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা রয়েছে।

উল্লেখ্য গত ২০১৮ইং সনের ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে সুনামগঞ্জ ২ নির্বাচনী
এলাকা দিরাই-শাল্লা আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেকে ক্ষমতাসীন দল
আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করে সুনামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে মত
বিনিময় করেছিলেন দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার ডেপুটি এডিটর ভাষ্যকার
কলামিস্ট দীপক চৌধুরী। শহরের কাজির পয়েন্টের একটি রেস্টেুরেন্টে অনুষ্ঠিত ঐ মত
বিনিময় সভায় স্থানীয় আঞ্চলিক ও জাতীয় অনলাইন,প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার
প্রতিনিধিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক দীপক চৌধুরী বলেন,মৃত্যুর পর জাতীয়
নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এমপির মরদেহ নিয়ে যখন আমরা দিরাই আসি এবং হাজার হাজার
মানুষের শ্রদ্ধা ভালবাসায় নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই আমাকে অনেকে
জিজ্ঞেস করেছিলেন,নেতার পর আমি নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি কিনা ? সাধারন
মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমি উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য জননেত্রী শেখ
হাসিনা ও আওয়ামীলীগের পার্লামেন্টারী বোর্ডের কাছে মনোনয়ন চাই। কিন্তু‘
ড.জয়া সেন গুপ্তাকে মনোনয়ন দেয়ায় বাধ্য হয়ে আমরা তার পক্ষে কাজ করি।
উপনির্বাচনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের অসমাপ্ত
কাজ এখনও সমাপ্ত করা হয়নি। আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছি। দেখেছি
এখনও অনেক গ্রামে বিদ্যুৎ পৌছেনি। তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত ও
উন্নয়ন বঞ্চিত রয়েছে আমার দিরাই-শাল্লা। তাই সাধারন ঘরের একজন ছেলে হিসেবে
সাধারন মানুষের সমস্যাকে সম্ভাবনায় উন্নীত করতে আমি কাজ করে যেতে চাই। সেই
থেকে এখনও মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন এই সৎ সাহসী নির্ভিক কলম সৈনিক।
বর্তমানে হাওর এলাকার প্রত্যেকটি সমস্যাকে তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ।
পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতা, যুক্তি ও পরামর্শকে উপস্থাপন করছেন স্বমহীমায়। এলাকাবাসী
মনে করেন হাওরকে নিয়ে দীপক চৌধুরীর চিন্তা ভাবনাগুলোর প্রতি সরকার ও রাষ্ট্র যদি নজর
দেন তাহলে এই জনপদের অনেক সমস্যা সমাধানের উপায় তারা খুজে পাবেন। উল্লেখ্য
“প্রধানমন্ত্রী বেয়াদবী মাফ করবেন” “দিনবদলে শেখ হাসিনা”সহ একাধিক
রাজনৈতিক বিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ, “উর্দি” “পুতুলখেলা”“অরক্ষিত নারী”সহ
একাধিক উপন্যাস, “শ্রাবণসন্ধ্যা” “তারা দুই বোন”“ভালবাসার ডুবসাঁতারসহ
মোট ১৮টি সমসাময়িক গল্প ও গবেষণামূলক রচনার সার্থক রচয়িতা এবং বিশ্ববরেণ্য
পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এমপি ও একুশে পদকে ভূষিত বাউল সম্রাট  শাহ
আব্দুল করিম এর  স্নেহ ধন্য সাংবাদিক দীপক চৌধুরীর জন্ম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার
তাড়ল ইউনিয়নের উজানধল গ্রামে।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply