বাংলাদেশ, শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অহিংসার বাণী ছড়িয়ে সামাজিক সম্প্রীতি গড়তে হবে

আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস পালন

সমাজে শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ও মানবিক বিশ্ব গড়ার আহ্বানে ‘সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ি’ শ্লোগানে অদ্য ০২ অক্টোবর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও সংহতি সম্মিলন পিস প্রেশার গ্রুপের সদস্য ও এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পিস প্রেশার গ্রুপের আয়োজনে ও এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম, আলোকবর্তিকা সংগঠনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সংহতি সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও সিডিএ’র বোর্ড মেম্বার হাসান মুরাদ বিপ্লব, নারী নেত্রী ও চসিকের প্রাক্তন প্যানেল মেয়র রেখা আলম চৌধুরী, শিক্ষাবিদ শামসুদ্দীন শিশির, কলামিস্ট সৈয়দ মোহাম্মদ জুলকরনাইন, ব্যবসায়ী মাহবুব রানা, মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম প্রতিবন্ধি উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি এম.এ.সবুর, আইনজীবী মোস্তফা আনোয়ারুল ইসলাম, আল্লামা রুমি সোসাইটি’র মহাসচিব সৈয়দ মো: সিরাজউদ্দৌল্লাহ, আলোকবর্তিকা’র প্রতিষ্ঠাতা খাজা ওসমান ফারুকী, নগর ও নাগরিকের সভাপতি লায়ন এম. আইয়ুব, সমাজসেবী নেছার আহমেদ খান, সংগঠক সৈয়দ দিদার আশরাফী, উন্নয়ন কর্মী সোহাইল আখতার খান, পপুলার জনকল্যাণ সংঘের সভাপতি এম এ জলিল, সম্মিলিত সামাজিক সংগঠন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শরীফ, এড. মীর ফেরদৌস আলম সেলিম, চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি-চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন গিফারী, তারুণ্যের প্রতীকের সভাপতি জিএম তাওসিফ, নারী নেত্রী জান্নাতুল নাঈম রিকু, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন আলো, আব্দুল মন্নান হৃদয়, চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির শিক্ষা ও পাঠ চক্র সম্পাদক আসিফুল ইসলাম খান, সেবাঘর সংঘের মহাপরিচালক আনন্দ প্রকৃতি ও পরিচালক সৈকত প্রকৃতি, এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের সদস্য মিনহাজুর রহমান সিহাব, নমিউল হক তোফাইল, শেখ ইমরান হোসেন, সাংবাদিক মুজিব উল্লাহ তুষার, ইকো ফ্রেন্ডস’র সাংগঠনিক সম্পাদক কাইমুর রশিদ বাবু, জাহাঙ্গীর ইমন, নান্দনিক চট্টগ্রাম’র হান্নান হীরা প্রমুখ।
সংহতি সম্মিলনে বক্তারা বলেন, বিশ্ব থেকে হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি, মারামারি, সহিষ্ণুতা ও রক্তপাত বন্ধে বিশ্ববাসীর মানবিক চেতনাকে জাগিয়ে তোলাই আন্তর্জাতিক অহিংস দিবসের মূল বাণী। মহাত্মা গান্ধীর মতবাদ এখনো প্রাসঙ্গিক কারণ আমাদের চারপাশে বহুলাংশে অসহিষ্ণুতা, উত্তেজনা, সহিংসতা বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক অহিংস দিবসটি সহিষ্ণুতা ও অহিংসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবে। মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী বিশ্ব মানবতার কাছে এক অবিস্মরণীয় নাম। বিশ্বকবিই তাকে প্রথম ডাকেন ‘মহাত্মা গান্ধী’ নামে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ও ভারতীয় জাতির জনক মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধীর সম্মানার্থে ২০০৮ সালে জাতিসংঘ এদিনটিকে আন্তর্জাতিক দিবসের মর্যাদা দেয়। দারিদ্র নিরসন, নারী অধিকার, জাতিগত বিভেদ মোচন. বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা আর স্বদেশীর যে ধারণা নিয়ে তিনি আন্দোলন গড়ে তোলেন যেটি ছিল মানবতার পক্ষে এবং স্বাধীন ভারতের পক্ষে। অস্থিরতাপূর্ণ ও সংঘাতময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অহিংস নীতি গ্রহণের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে হবে। অহিংসার বাণী এবং শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে শান্তির জন্য সবাইকে সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান অতিথিবৃন্দ।

শেয়ার করুনঃ

আরো খবর

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com