বাংলাদেশ, বুধবার, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পুলিশ বিভাগের অহংকার ইন্সপেক্টর আবদুল মতিন চৌধুরী

২২ বার বেস্ট ইন্সট্রাক্টর ও অসংখ্য পুরুষ্কারে ভুষিত সামাজিক ব্যক্তিত্ব মতিনের গ্রহনযোগ্য সবখানে

পুলিশের বিভাগের অত্যন্ত সুনামধারী,২২ বার বেস্ট ইন্সট্রাক্টর ও অসংখ্য পুরুষ্কারে ভুষিত সামাজিক ব্যাক্তিত্ব আবদুল মতিন চৌধুরীর গ্রহনযোগ্যতা সবখানে।এবারও তিনি বেস্ট ইন্সট্রাক্টর মনোনিত হয়ে সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমানের হাত দিয়ে সনদ পান। গত ২০মে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সিএমপির কল্যান সভায় ‘বেস্ট ইন্সট্রাক্টর’ হিসেবে  তিনি এই সনদ নেন।বর্নাঢ্য চাকুরি জীবনে তিনি পৃথিবীর ১২টি দেশ ঘুরে বেড়ান ও অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারে জীবন গড়ে তোলেন।দেশে ও বিদেশে ৫০টিরও বেশী প্রশিক্ষণে তিনি অংশ গ্রহণ করে সফলতার সনদ নেন।

কক্সবাজার জেলার মেহেরঘোনা ফরেস্ট অফিসে ১৯৬৫ সালের ৫ জুলাই তাঁর জন্ম।আনোয়ারা বিএসবি হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন তিনি।   এইচএসসি সরকারি চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ ও  বি.কম. পাশ করেন সরকারি মহসিন কলেজ চট্টগ্রাম থেকে। তিনি মরহুম মুসলিম আহমদ চৌধুরী (রেঞ্জ অফিসার) ও মাতা- জাহানারা বেগমের গর্বিত সন্তান। আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া গ্রামে তাঁর পৈত্রিক নিবাস।

২৬ ফেব্রুয়ারী  ১৯৮৯ সালে  আবদুল মতিন চৌধুরী সার্জেন্ট হিসাবে চাকরিতে বান্দরবান – এ যোগদান করেন ।তিনি.কক্সবাজার জেলা ,  সিএমপি,ডিএমপি, কুমিল্লা,জাতিসংঘ মিশন কসোভো ও পূর্ব তিমুর, ট্রাফিক ট্রেনিং ও ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুলে ৪ বছর ও ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার,সিএমপিতে পুলিশের সংশ্লিষ্ট কাজে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।যোগ্যতার সাথে ট্রেনিং সেন্টারে একনাগারে ১৪ বছর যাবত কর্মরত আছেন তিনি। তিনি ৩ সন্তানের জনক।বড় মেয়ে চবি তে অনার্স ৩য় বর্ষে,ছেলে ঢাকা মাইলস্টোন কলেজে ইন্টারমিডিয়েট ২য় বর্ষে ও তৃতীয় মেয়ে ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আছেন।তারা ৬ ভাই ৪  বোন সবাই বিবাহিত। বড় ভাই (অবঃ) ফার্মাসিস্ট, মেজ ভাই প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর (ডাঃ) এম.এ.হাছান চৌধুরী, ব্যাংকার, একাউন্টেন্ট ও ছোট ভাই ইসলামি ব্যাংক আনোয়ারা শাখায় শাখা প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।বর্তমানে আবদুল মতিন চৌধুরী পুলিশ ইন্সপেক্টর, ইন্সট্রাকর হিসাবে ইন- সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত আছেন।

১৯৯৬ সালে সাহসিকতার সাথে ছিনতাইকারী  ধরতে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। ৩০ বছরের চাকুরি জীবনে অসংখ্য পুরস্কারে তিনি ভুষিত হন।সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সমান বিচরণ রয়েছে।পুলিশ বিভাগ ও সাধারন মানুষের মধ্যেও তাঁর অপূর্ব গ্রহণযোগ্যতার কারণে সার্জেন্ট মতিন নামেই তিনি সমধিক পরিচিত ।

আরো খবর

Leave a Reply

Close