বাংলাদেশ, বুধবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ইপিজেডে কে এই পুলিশ চাদাঁবাজ সুলতান ?

ইপিজেড থানার পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে জনৈক সুলতান অপরাধ কর্মকাণ্ডের হোতাদের আশ্রয় দিয়ে আইন- শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে  চলছে । ইপিজেড এলাকাটি অপরাধের স্বর্গ রাজ্য করে সুলতান বিভিন্ন স্পর্ট থেকে মাসে কোটি টাকা মাসোহারা আদায় করে থাকে।এতে ওসি নুরুল হুদাসহ পুলিশ বিভাগের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। ওই  টাকা প্রশাসনের কিছু ঘাটে ঘাটে বিলি করে সে নিরাপদে চাদাঁবাজি করে চলছে দিনকে দিন।এই বিষয়ে তার মুঠোফোনে ০১৯৯০  ০২৫০০৫ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে সে প্রথমে ফোন রিসিভ করে, সাংবাদিক জানার পরে ফোন আর রিসিভ করেনি।এই বিষয়ে ভিন্ন নাম্বরে জানতে চাইলে থানায় যেতে বলে এবং থানায় গেলে গাড়ী ভাড়াও দেবে বলে।

জানা গেছে, সে ভুলু মাঝির জুয়ার আসর সহ স্টীল মিল বাজার ও আকমল আলী রোডে কয়েকটি জুয়ার আসর পরিচালনা করে থাকে।তার অধীনে বন্দরটিলা উত্তরা ব্যাংকের উপরে মেসেজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর জন্য সে একটি অফিস খুলেছে। আবাসিক বাড়ী ভাড়ার নামে তার রয়েছে বেশ কয়েকটি মিনি পতিতালয়, মদ ও ইয়াবা আসক্তদের নিরাপদ ঘরে আশ্রয় দিয়ে দিন দিন চাঁদা আদায় করে থাকে।ইপিজেড থানার ওয়ারেন্টপ্রাপ্ত আসামীরা তার কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতার এড়ানোর শর্তে সে সকল আসামীদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে থাকে।যা পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে সে এই কাজে লিপ্ত রয়েছে।এইজন্য অনেক সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা কোন ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে চাইলেও তা পারেনা।  জুট পাচারকারী, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও হুণ্ডি ব্যবসায়ীদের  প্রধান আশ্রয় দাতা হিসেবে থানার ক্যাশিয়ার নামধারী এই সুলতান  ইপিজেড থানায় পুলিশের নামেই কাজ চালিয়ে আসছে।

আরো খবর

Leave a Reply