বৈরাগের সম্ভাব্য জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবালকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও গুজবের ফানুষ উড়াচ্ছে ওরা
আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের সম্ভাব্য জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হায়দার চৌধুরী । তিনি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল মনসুর চৌধুরীর আপন ভাইপো। তরুণ এই রাজনৈতিক ও সমাজসেবক ইকবালকে নিয়ে ইউনিয়ন জুড়ে এখন আলোচনা – সমালোচনা চলছে। সম্ভাব্য জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ভেবে তার বিরুদ্ধে গুজব ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তার প্রতিপক্ষরা ।
পূর্ব বাংলার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৯৯৬ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির রাজনৈতিক দলের সাথে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ১৯৯৮ সালের ১ নং বৈরাগ ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয় ইকবাল। ২০০৩ সালে বৈরাগ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতিও নির্বাচিত হন তিনি। ২০১২ সালে আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয় এবং ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল এর আহবায়ক কমিটির সদস্যও নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৪ সালে আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রদল এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে যথাযথ দায়িত্ব পালন করে ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল এর সিনিয়র সহ – সভাপতি নির্বাচিত হয় ইকবাল হায়দার চৌধুরী।
একই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হয়ে আজ পর্যন্ত দলের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। একনাগারে দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন নিজেকে দলে ও ইউনিয়নে যোগ্য হিসেবে পরিচিতি পান ইকবাল।
এছাড়াও পশ্চিম বাকলিয়া ১৭ নং ওয়ার্ড শাহ্ আমানত হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদ কমিটির সদস্য সচিব ও মতোয়াল্লী হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে খাদেম হিসাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন এই তরুণ সমাজসেবক ইকবাল হায়দার চৌধুরী। আনোয়ারার বেলচুড়া মৌজায় রিজুয়ান মোস্তফা জামে মসজিদ এর অর্থ সম্পাদকও তিনি।
ভয়াবহ করোনাকালীন সময়ে আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭৯ জন রোগীকে নিজের গাড়ীতে ফ্রী সার্ভিস দিয়ে গোটা আনোয়ারা জুড়ে প্রশংসিত হন ইকবাল হায়দার চৌধুরী ।বৈরাগ ইউনিয়ন এর বিভিন্ন মসজিদ ঈদগাহ, কবরস্থান- রাস্তাঘাট খেলার মাঠ নিজ অর্থায়েন উন্নয়নে সহযোগিতা ও বাংলাদেশের সকল দুর্যোগে মানবিক মানুষ হিসাবে কাজ করে এলাকার মানুষের কাছে সুনজরে আছেন তিনি।
জানা গেছে, ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ২ টি মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় ইকবাল হায়দার চৌধুরীকে। ২০১২ সালে তাকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।এমনকি ‘১১সালের ইউপি নির্বাচনের মামলা দেয়া ২০১৪ সালে। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের পক্ষে থেকে মামলার আসামী করা হয় ও ২০২৩ সালে কোতোয়ালী থানার রাজনৈতিক ২ টি মামলাও দেয় প্রতিপক্ষরা। ২০২৩ সাল সেচ্ছাসেবক দল এর মিছিল থেকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ১৩ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার করা হয়েছিল তন্মধ্যে ইকবাল ছিলেন অন্যতম। জেল জুলুম, মিথ্যা মামলা, হয়রাণী ও অপ্রচারে ইকবাল হায়দার চৌধুরী থমকে যাননি।বরং বরাবরই মাথা উঁচু করে সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। এখনো মানুষের কল্যাণের জন্য নিরবে কখনো কখনো সরবে কাজ করে চলেছেন ইকবাল।
ইকবাল হায়দার চৌধুরী পূর্ব বাংলাকে বলেন আমি বৈরাগবাসীর পাশে থাকতে চাই, চাই কাজ করতে ।



