রাউজান মোহাম্মদপুর দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহ্জাদা হাফেজ মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন জিলানী বলেন, শান্তি ও সহমর্মিতার ধর্ম ইসলামের শাশ্বত দর্শন প্রচার প্রসারে শাহসূফি অধ্যাপক হযরত মৌলানা আব্দুল জলিল মুহাম্মদ মুহিউল ইসলাম (রহ.) যুগপৎভাবে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ইসলামী সত্যিকারের তাহযিব তামাদ্দুন প্রতিষ্ঠা, মানুষকে নৈতিকতা, কল্যানকামিতা ও খোদাভীরুতার পথে পরিচালিত করতে এ মহান মনীষী আজন্ম কাজ করেছেন। কর্ম ও অবদানের মাঝে সবসময় শান্তিপ্রিয় মানুষের হৃদয়ে চির ভাস্বর হয়ে থাকবেন। আধ্যাত্মিক সাধকপুরুষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শাহসূফি অধ্যাপক হযরত মৌলানা আব্দুল জলিল মুহাম্মদ মুহিউল ইসলাম (রহঃ)’র পবিত্র বার্ষিক ওরছ মোবারক ১৬ জানুয়ারী রাউজান মোহাম্মদপুর দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। ওরস শরীফের কর্মসুচির মধ্যে বাদে আছর মাজার শরীফে পুষ্প অর্পন, যেয়ারত, পবিত্র খতমে কুরআন, বাদে মাগরিব আজিমুশ্শান নূরানী মিলাদ মাহফিল ও নাঁতে রাসূল (দ.) মাহফিল, তাবারুক বিতরণ এবং আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। হুজুরের জিবনীর উপর আলোচনা করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুফতি আল্লামা আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজভী। বিশেষ অতিথি ছিলেন দারুল মদিনা মডেল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ¦ মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম, রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল হারুন, রাউজান ৭ নং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হিরু, মাওলানা ইয়াসিন হোসাইন হায়দারী, মাস্টার মুহাম্মদ ইছমাইল, শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, মুহাম্মদ শওকত, মুহাম্মদ হাসান রাশেদ, হাজী মুহাম্মদ আবু তাহের, মাওলানা মুহাম্মদ ছালামত রেজা কাদেরী। উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত, হযরত ছিদ্দিকে আকবর (র.) ফাউন্ডেশন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, মাইজভান্ডারী সকল সংগঠন, রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ। এতে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদপুর দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন অধ্যাপক মুহাম্মদ নজিরুল হক। শেষে মিলাদ কিয়াম ও বিশে^র সকল নারী-পুরুষের মঙ্গল কামনায় মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। মাহফিলে অন্যান্য বক্তারা বলেন, সুন্নি আলেম পীর মাশায়েখগণ আমাদের আধ্যাত্মিক দিশারী ও বাতিঘর। দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে ও সুন্নিয়তভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আজীবন নিবেদিত ছিলেন শাহসূফি অধ্যাপক হযরত মৌলানা আব্দুল জলিল মুহাম্মদ মুহিউল ইসলাম (রহ.)। সুন্নিয়তের জন্য তাঁর ত্যাগ ও কুরবানি যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সুন্নি মতাদর্শের আলোকে ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ