রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৯নং ভোলাকোট ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীধরপাড়া গ্রামের কামাল মেম্বার বাড়ীর মৃত আলী আজমের মেজো ছেলে মৃত অহিদ উল্লার বসতঘরের ভিটেমাটিতে তার সন্তানদের স্থাপনা নির্মান করতে দিচ্ছেনা মৃত আলী আজমের ছোট মেয়ে বিলকিছ আক্তার, নাতী মোঃ মোরশেদ আলম ও মোঃ নুর নবী প্রকাশ বিদ্যুত সহ আলী আজমের অন্যান্য মেয়েরা।
জানা যায়, মৃত আলী আজমের ছোট ছেলে নোটারি পাবলিকের উকিল ছানাউল্লাহর সহোযোগিতা নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে নিজ বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালাচ্ছে মৃত আলী আজমের ছোট মেয়ে বিলকিছ, নাতী মোরশেদ, বিদ্দুতসহ তার অন্যান্য মেয়েরা। এজন্য বার বার মিথ্যে মামলা দিয়ে ভুক্তভোগীদের ৮ মাস থেকে স্থাপনা নির্মানে বাধা দেওয়া ও হুমকি- ধমকীসহ বিভিন্নভাবে নাজেহাল করা হচ্ছে। এতে করে বিরাট ক্ষতির সমূক্ষীনসহ দিশেহারা হয়ে পড়েছে মৃত অহিদ উল্লার স্ত্রী ও সন্তানেরা।
সূত্রে জানা যায়, মৃত আলী আজমের ৩ ছেলের নামে ৬৮১ ও ৬৮২ দাগে ৪৩ সতাংশ জায়গা থাকলেও সেখানে পূর্ব থেকে দখলে থাকা বসতঘরে স্থাপনা নির্মান করতে দেওয়া হচ্ছেনা মৃত অহিদ উল্লার স্ত্রী ও সন্তানদের। এছাড়াও একই খতিয়ানে ৫৫৭, ৬১০ ও ৬১৫ দাগে আরো ২৮ শতক জায়গা রয়েছে।
আরো জানা যায়, মৃত আলী আজমের মেজো ছেলে অহিদ উল্লা ১৯৯৯ সালে মারা গেলে তার সন্তানরা নাবালক থাকার সুযোগে নালের ৭২০ শতক জায়গা থেকে প্রায় ৬০০ শতক জায়গা বিক্রি করে ঢাকা পাড়ি জমায় মৃত অহিদ উল্লার দুই ভাই। এছাড়াও ৬৮১ ও ৬৮২ দাগে মৃত অহিদ উল্লার বড় ভাই সহিদ উল্লার নির্মানাধীন ভবন দীর্ঘ ২০ বছর যাবত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
একই বাড়ির বাসিন্দা হুমায়ুন কবির, নুরুল ইসলাম, মো: সেলিম ও পার্শবর্তী বাসিন্দা সাবেক সার্জন তাজুল ইসলামসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, অহিদ উল্লা মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী ও সন্তানদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে আসছে তার ছোট ভাই ছানাউল্লাহ, বোন বিলকিছ, বাগিনা মোরশেদ, বিদ্যুসহ অন্যান্য বোনেরা।
ইতোমধ্যে তারা প্রায় দুই লক্ষ্য টাকার গাছ ও দুইটা পুকুর জোরপূর্বক বিক্রিকরাসহ প্রতিবছরই বাগানের সকল নারিকেল সুপারি নিয়ে যায়। এসময় মৃত অহিদউল্লার স্ত্রী ও সন্তানরা বাধা দিলে তাদের মারধরসহ বসতবাড়ী থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছে।
মৃত অহিদ উল্লার মেজো ছেলে আশিক বলেন, পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে আমাদের উচ্ছেদের চেষ্টা চালাচ্ছে আমার চাচা ও আমার ফুফুরা। এত বিশাল সম্পত্তি থাকলেও আমার বাবার বসতঘরে আমাদেরকে স্থাপনা নির্মান করতে দিচ্ছেনা তারা। তাদের পাওনা সম্পত্তি আমরা তাদের দিতে রাজি থাকলেও তারা সমাধানে রাজী নয়। তারা আমাদের পুরো সম্পত্তি চাচা উকিল ছানাউল্লার ক্ষমতাবলে ভোগদখলের জন্য সর্বাধিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য তারা বার বার আমাদের নামে মিথ্যে মামলা দেওয়াসহ প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছে।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও একই বাড়ির বাসিন্দা হাজী মো: কামাল হোসেন চৌধুরি বলেন, মৃত আলী আজমের ছোট মেয়ে বিলকিছের কথা ও আচার আচরন খুবই খারাপ সভাবের এবং মৃত অহিদ উল্লার দুই ভাই অহিদ উল্লাহ মারা যাওয়ার পর বেশিরভাগ সম্পত্তি বিক্রি করে ঢাকায় পাড়ি জমায়। আমি বার বার যোগাযোগ করলেও তারা কোনভাবেই সমাধানে রাজি নেই। আমি বুজতে পারলাম মৃত অহিদ উল্লার স্ত্রী ও সন্তানদের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালাচ্ছে মৃত অহিদ উল্লার ভাই, বোন ও অধিকাংশ ভাগিনারা।
সর্বশেষ সংবাদ
- জুলাই-যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াতে হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
- কুয়াকাটা উপকূলে মাছ ধরার ট্রলারে জলদস্যুদের হানা, আহত ১২
- জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
- বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- মান নিয়ে আপত্তি, ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
- Полный обзор 1win казино Mobile App: особенности и функциональность
- এমবাপ্পেকে বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা সরকারের
- বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম ,ভরিতে কত?
- স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা আলভীর জামিন
- শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান



