আজ  রোববার  সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ   কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক ফাইল তলব করে। এই সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ৩ কর্মচারীকে (চেইনম্যান) স্ট্যান্ডরিলিজ (তাৎক্ষণিক বদলি) করার নির্দেশ দেন। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামের অপরাপর অফিস সমুহে আতংক বিরাজ করে। ভুক্তভোগী সুত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

স্ট্যান্ডরিলিজ হওয়া ৩ জনই জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার চেইনম্যান হিসেবে কর্মরত। তারা হলেন-আহমদ করিম, নজরুল ইসলাম ও মো. হানিফ।সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় প্রবেশ করেন। এসময় তিনি এলএ শাখার বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন মামলার ফাইল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চেয়ার খালি দেখা গেছে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে দেখেই  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলে উঠলেন, ‘স্যার আমি কয়েকটি কথা বলতে চাই’ উত্তরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলে উঠলেন ‘আমি আপনাদের সাথেই কথা বলতে ও শুনানি করতে এসেছি। কোন হয়রানির শিকার হচ্ছেন না তো?’ এই সময় মন্ত্রী বলেন আমি দুর্নীতির অবসান চাই এবং এ বিষয়ে আমি জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবো।’

 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ