বাংলাদেশ, বুধবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

বিএনপি জামায়াতের অপরাজনীতি প্রতিরোধ

 

খালেদা জিয়ার দূর্নীতির মামলার রায়ের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত বিএনপির নাশকতার রাজনীতিকে চট্টগ্রামের মাটিতে সর্বাত্মক ভাবে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে নগর ছাত্রলীগ। আজ বিকালে নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়র্ক প্রদক্ষিণ করে লালদিঘী এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে যুক্তি উত্তাপন করতে গিয়ে স্বীকারাক্তি দিয়েছেন যে, তিনি বিদেশ থেকে পাঠানো অনুদানের টাকা তছরুপ করেননি,সব টাকা ব্যাংকে আছে। তার এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রমান হয়ে গেছে তিনি এতিমখানার নামে অনুদানের টাকা আত্মসাত করেছেন। যে টাকা বিগত ২৫ বৎসর যাবত এতিমখানায় খরচ না নিজের পরিবারের নামে ব্যাংকে রক্ষিত রেখেছেন তা তছরুপের টাকা নয়,তা আত্মসাতকৃত টাকার আওতায় পড়ে। অর্থ্যাৎ বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাত করেছেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন, যারা অন্যায়ভাবে এতিমের ধন-সম্পত্তি গ্রাস করে, নিশ্চয় তারা স্বীয় উদরে অগ্নি ব্যতীত কিছুই ভক্ষণ করে না এবং সত্বরই তারা অগ্নি শিখায় উপনীত হবে।
এসময় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, খালেদা জিয়াও তার পাপের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন। আর তা বুঝতে পেরে বিএনপি জামাতকে ব্যবহার করে পরিকল্পিত ভাবে দেশে নাশকতা তৈরীর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। আমাদের কাছে তথ্য আছে, ইতিমধ্যেই মহানগরের বাইরে থেকে জেলা উপজেলার বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীদের ভাড়াটে হিসাবে চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রবেশ করিয়েছেন। চট্টগ্রাম মহানগরে বহিরাগত কোন বিএনপি জামাতের লোকজনকে পাওয়া গেলে দলীয় গণপিঠুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করার জন্য ছাত্রলীগের সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে। এছাড়াও ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে নগর আওয়ামী লীগের নির্ধারিত স্পটের পাশাপাশি নগরীর পুরান রেলস্টেশন, মুরাদপুর, কর্নেল হাট মোড়ে বিশাল ছাত্র সমাগম করতে স্থানীয় সকল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু ও সাধারন সম্পাদক নুরুল আজিম রনির পরিচালনায় একাত্মতা প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুর রহিম জিল্লু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইরফানুল আলম জিকু, নাদিম উদ্দিন, রাজেস বড়ুয়া, আব্দুর রহিম শামিম, রুমেল বড়ুয়া রাহুল, আমিনুল করিম নগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি নাজমুল হাসান রুমি, মইনুল হাসান শিমুল, সৌমেন বড়–য়া, একরামুল হক রাসেল, আব্দুল খালেক, আ ফ ম সাইফুদ্দিন, নৌমান চৌধুরী, যুগ্ন সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, রনি মির্জা, অমিতাভ চৌধুরী বাবু, সুজন বর্মন, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, শওকত আলী রনি, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হাসানুল করিম সবুজ, মিনহাজুল আবেদীন সানি, ওমর ফারুক, মোঃ বিন ফয়সাল, আশরাফ উদাদিন টিটু, লিটন চৌধুরী রিংকু, আবু হানিফ রিয়াদ, মিয়া মোহাম্মদ জুলফিকার, হাসিবুল হাসান রুম্মান, কাজী মাহমুদ হাসান রনি, আব্দুল আহাদ, সাইফুল ইসলাম পারভেজ, ফয়সাল সাব্বির, মিজানুর রহমান মিজান, সালাউদ্দিন সৌরভ, ইন্তেকার রুপু, শেখর দাশ, সাব্বির সাকির, রাহুল দাশ, আরাফাত রুবেল, আমজাদ হোসেন টুটুল, গোলাম মোস্তফা, মোস্তফা কামাল, কামরুল ইসলাম পাভেল, মোশরাফুল হক চৌধুরী পাবেল, ইমরান আহম্মেদ শাওন, মিজানুর রহমান, আবু সালেহ রিমন, জাকারিয়া হাবিব, ফয়সাল অভি, ইসমাইল হোসেন বাতেন প্রমুখ।

আরো খবর

Leave a Reply