বাংলাদেশ, শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২০ ইং, ২০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ হিল সাইড স্কুল যেভাবে এগিয়ে চলেছে

হিল সাইড স্কুলের নিরন্তর যাত্রা
২০০৬ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়ে এই পর্যন্ত স্কুল তার নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্কুলে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা আছে। স্কুলের শিক্ষকরা অতি দক্ষতার সাথে শ্রেণির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রতিটি ক্লাসে শিক্ষকরা বাড়ির কাজ ও শ্রেণির কাজ অতি যত্ন সহকারে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করে নেন। দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়।
প্রতি বৎসরের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বৎসর পি.ই.সি ও জে.এস.সি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা শতভাগ সাফল্য অর্জন করে।

স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে আমাদের দেশে শিক্ষার্থীর তুলনায় বিদ্যালয়ের সংখ্যা খুবই কম। শিক্ষার্থীর তুলনায় সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অপ্রতুল হওয়ায় সত্তরের দশকের শেষের দিকে এদেশের শিক্ষিত মহলে কিন্ডারগার্টেন স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রবণতা দেখা দেয়। যার একটা ইতিবাচক প্রভাব আমাদের সমাজে সুস্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। এখন প্রতি বছরই স্কুলের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু মানসম্পন্ন স্কুলের সংখ্যা খুবই কম। তাই গুটি কয়েক মানসম্পন্ন স্কুলের প্রতি অভিভাবকগণ ঝুকেঁ পড়েন, এতে করে ওই সব স্কুলে ধারণ ক্ষমতার দ্বি-গুণ, তিনগুণ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর ফলে অনেক সময় বাচ্চারা উন্নতমানের শিক্ষা লাভ থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের উন্নত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের এই স্কুল প্রতিষ্ঠার একমাত্র উদ্দেশ্য।

হিল সাইড স্কুলের বৈশিষ্ট্য
১। প্লে গ্রুপ থেকে ৯ম শ্রেনীর পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়।
২। বোর্ডর বই এর পাশাপাশি k.g standard উন্নতমানের বই থেকে পাঠদান করা হয়।
৩। ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে উন্নত পাঠদানের পাশাপাশি শ্রেণী কক্ষেই পাঠ আদায় করা হয়।
৪। ইংরেজী বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
৫। শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি Extra curricular এর উপর জোর দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রতিটি বাচ্চার সুপ্ত প্রতিভা বের করে আনা সম্ভব হয় এবং এতে বাচ্চারা স্বকীয়তা অর্জন করে।
৬। অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
৭। সারা বৎসরে তিন পর্বে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি টার্ম পরীক্ষার পূর্বে Class test ও monthly test  অনুষ্ঠিত হয়। তিন term পরীক্ষার গড় মূল্যায়ন করে পরবর্তী প্রমোশন দেওয়া হয়।
৮।  Final Term এ চূড়ান্ত মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাচ্চার শ্রেণী কক্ষে আন্তরিকতা, নিয়মানুবর্তীতা ও আচার- আচরণের গড় মূল্যায়ন করা হয়।
                                                                 ভর্তির নিয়ম
১। ১০০ টাকার বিনিময়ে স্কুলের নির্ধারিত ভর্তি ফরম সংগ্রহ ও পূরণ করে যথাসময়ে জমা দিতে হবে।
২। ভর্তি ফরমের ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো ও জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
৩। ১ম থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ববর্তী বিদ্যালয়ের পরীক্ষার নম্বর ফর্দ জমা দিতে হবে।
৪। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত স্কুল- অফিস থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
৫। ভর্তি ফি – টাকা ৩,০০০/- , মাসিক বেতন – টাকা ৫৫০/-
৬। বই, খাতা ও ডায়েরি স্কুল – অফিস থেকে কিনে নিতে হবে।

স্কুলের পোষাক
ছেলেদেরঃ কপি হাপ প্যান্ট ও স্কাই ব্লু শার্ট (প্লে গ্রুপ – ৩য় শ্রেণী)
কপি ফুল প্যান্ট ও স্কাই ব্লু শার্ট (৪র্থ – ১০ম শ্রেণী)
সোয়েটার/ ব্লেজার – নেভী ব্লু
জুতা – কালো জুতা ও সাদা মোজা

মেয়েদেরঃ কফি স্কার্ট ও স্কাই ব্লু টপ্স
কফি কামিজ, স্কাই ব্লু সালোয়ার ও স্কাই ব্লু ওড়না
সোয়েটার/ ব্লেজার – নেভী ব্লু
জুতা – কালো জুতা ও সাদা মোজা

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply